
#এপারে রাজিবের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের সিন্ডিকেট , ওপারে গোপালের নেতৃত্বে ৬/৭ জনের সিন্ডিকেট
#এক যুগ ধরে সোনা পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যাবহার হচ্ছে ভাদিয়ালী সীমান্ত
#সব সময়ই শাসকদলের কিছু নেতা সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রন করে

নিজস্ব প্রতিবেদক : গতকাল বিকাল ৪টায় কলারোয়ার সীমান্ত নদী সোনাই সাঁতরে তিন কেজি সোনা পাচারের অভিযোগ উঠেছে । এসময় একটি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর দুইজন সদস্য ধাওয়া দিয়েও সোনা পাচারকারীকে ধরতে পারেনি। গত এক যুগধরে ভাদিয়ালী রুট দিয়ে মন মন সোনা পাচার হয়ে আসছে । স্থানীয়দের অভিযোগ শুক্রবার বিকাল ৪ টায় ভাদিয়ালী সীমান্তের সোনাইনদী পার হয়ে জনৈক রাজিব তিনকেজি সোনা নিয়ে ভারতীয় পারে যাচ্ছিল । এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুজন সদস্য তাকে ধাওয়া দেয়। এসময় সে দৌড়ে পালাতে সক্ষম হয় । ওপারে পৌছে জনৈক গোপালের কাছে তিনকেজি পৌছে দেয় । উভয পারের স্থানীয় বাসিন্দরা সোনাপাচারের এ চিত্র প্রত্যক্ষ করে। ভারতীয় পারের সরুপনগর থানার হাকিমপুর গ্রামে গোপালের বাড়ি । তার বাবার নাম সুবোল পরামানিক । গোপালের নেতৃত্বে ছয় সাতজনের একটি সিন্ডিকেট সোনাচোরাচালানের সাথে জড়িত । অপরদিকে কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী গ্রামের জনৈক রাজিবের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের সোনাপাচারের একটি সিন্ডিকেট আছে । গত এক দশক ধরে ভাদিয়ালী সীমান্ত সোনা পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যাবহার হয়ে আসছে । সব সময়ই শাসকদলের কিছু নেতা সোনচোরাচালান সিন্ডিকেটকে সহয়তা দিয়ে সুভিধাা নিয়ে থাকে ।এখনও তার ব্যাতিক্রম নয় । ৫ আগষ্টের পূর্বে বিগত সরকারের স্থানীয় নেতারা সেনাচোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনা করত। এখনও একই নিয়মে একই সিস্টেমে এই সীমান্ত দিয়ে মন মন সোনা পাচার হচ্ছে থেমে থেমে । গতকালের তিন কেজি সেনাপাচারের ব্যাপারে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সাতনদীকে জানান,এ ধরনের কোন ঘটনা তিনি শোনেনি। অপরদিকে সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান সাতনদীকে জানান, তিন কেজি সোনাপাচারের অভিযোগ তিনি শোনেননি । যোগকরে তিনি বলেন ,যোগাযোগ ব্যাবস্থা ভাল না হওয়ায় চোরাচালানীরা কোন কোন ক্ষেত্রে চুরি করে পার পেয়ে যায় । আমাদের বিওপি কমান্ডাররা সার্বক্ষনিক সীমান্ত পাহারার নেতৃত্বে থাকেন। যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নতি হলে এধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে ।

