দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৪ঠা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ২:৩৮
আদালতের স্থগিতাদেশ ঘিরে প্রশ্নের ঝড় কালুরঘাট ফেরিঘাটের ইজারা...
আমি যা বলবো, নেতানিয়াহু সেটাই করবেন: ট্রাম্প
সাতক্ষীরা এক্স-ক্যাডেটস এসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে রেজিস্ট্রেশন
সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়েই সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারকাজ করতে...
পাপারাজ্জিদের আচরণে ক্ষুব্ধ সালমান খান
হাম কেড়ে নিলো ৬ শিশুর প্রাণ , মোট...
তালার নগরঘাটা ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া
বনবিভাগের সদস্যের’ গুলিতে সুন্দরবনে জেলে নিহত, তদন্তে কমিটি
বড়দলে আইনে শ্রদ্ধাশীল হাজী সুকুর আলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে...
দেবহাটার টিকেটে প্রতিপক্ষকের হামলায় গৃহিণী আহত: কান ছিড়ে...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সারাদেশ

চিকিৎসক দম্পত্তির মেডিকেল পড়ুয়া ছেলের করোনায় মৃত্যু

কর্তৃক kobirubel.satnadee জুন ১৯, ২০২০
জুন ১৯, ২০২০ ০ কমেন্ট 441 ভিউস

সাতনদী ডেস্ক: বাবা-মা দুজনই ডাক্তার। ছেলে সালমান মেডিকেলের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ক’দিন বাদে সালমানও বাবা-মায়ের মত ডাক্তার হয়ে দেশ ও জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করবে। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে যথেষ্ট সচেতন ছিল ডাক্তারী পড়ুয়া সালমান। নিজেকে ঘরেই বন্দি করে রেখেছিল। জরুরী প্রয়োজনে দু’একবার বাইরে গেলে বাসায় ফিরেই নিজেকে দ্রুত পরিস্কার করে নিত। বেশ ভালোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু হঠাৎই করোনা হানা দিয়ে বসল এ  ডাক্তার পরিবারে। সালমান করোনায় আক্রান্ত হলো। কালো মেঘে ছেয়ে গেল গোটা পরিবার। বাবা-মা দুজন ডাক্তার হয়েও সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারেনি। মাত্র ২১ বছর বয়সেই চলে গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী সালমান। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে কথাগুলো লিখেছেন সদ্য সন্তানহারা জনম দু:খী মা প্রফেসর ডাক্তার  শবনম তাহের। জনসাধরনকে সচেতন করার লক্ষ্যে কথাগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি।

ডাক্তার শবনম তাহেরের লেখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

ডাক্তারী চতুর্থ বর্ষে পড়ুয়া সালমান বের হতো না।

ঘরে থেকেও সে করোনায় মারা গেলো করুন ভাবে।

গাইনোলজি প্রফেসর ডাক্তার শবনম তাহেরের চতুর্থ বর্ষে ডাক্তারী পড়ুয়া ছেলে। লেখাপড়া ও খেলাধূলায় সমান মেধাবী। বাবাও ডাক্তার। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মাত্র সাতদিনেই মারা গেলো সালমান।

ছেলের মৃত্যু নিয়ে

মা শবনমের হৃদয় ছোঁয়া স্ট্যাটাসঃ—

গতকাল-আমাদের ডাক্তারী পড়ুয়া মাত্র ২১ বছরের প্রিয়তম সন্তানকে হারিয়েছি। এর চেয়ে বেদনার দিন কোনো মায়ের এই পৃথিবীতে নেই। প্রচন্ড শোকের মাঝে অন্য সব মায়েদের এই বার্তা দেয়ার একমাত্র কারণ হলো- আর কোনো মাকে যেন এইভাবে তার সন্তানকে হারাতে না হয়।

আমি শুধু মা না। আমি একজন ডাক্তার। আমার স্বামীও ডাক্তার। মাত্র ২১ বছরে আমাদের শোকের মাঝে রেখে চিরতরে চলে যাওয়া আমার ছেলেও মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী।

আমার ছেলের শারীরিক কোনো সমস্যা ছিলো না। একজন স্বাস্থ্যবান তরতাজা যুবক ছিলো। প্রচণ্ড মানসিক, শারীরিক শক্তি ছিলো। বন্ধুবৎসল ছিলো। সবসময় প্রাণোচ্ছল ছিলো। পাশাপাশি সে তুখোড় মেধাবী একজন ছাত্র ছিলো। মা-বাবার মতো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে তার অধ্যয়নে কোনো ঘাটতি ছিলো না। কিন্তু মাত্র ৭২ ঘন্টার মাঝে আমাদের জীবনের সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেলো।

লকডাউনে সে কোথাও যায়নি। মাত্র দুবার পাঁচ মিনিটের জন্য নিজের গাড়িতে করে বাইরে যায়। আর ঘরে ফেরার সাথে-সাথে নিজের শরীরকে ভালো করে ধৌত করে। সচেতনতার কোনো ঘাটতি ছিলো না-আমাদের পরিবারে। যেহেতু সে নিজেই ডাক্তারী পড়ছে আর আমরা ডাক্তারী পেশায় আছি।

ঈদের আগের দিন রাতে সে দুই বন্ধুর সাথে – বড়জোড় দুই-আড়াই ঘন্টার জন্য বাইরে যায়। এর পর ঘরে এসে গোসল করে শুতে যায়। পরদিন সকালে সে সামান্য মাথা ব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে ওঠে। আমি ওকে Panadol tablet খেতে দেই।

মাথা ব্যথা না কমলে- চারপাশে ঘটা বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে আমি ওর শরীরের তাপমাত্রা নেই। দেখি ৯৯ ডিগ্রি। সাথে সাথে ওকে আমি অন্য একটা ঘরে আলাদা করে দেই। চব্বিশ ঘন্টার ভিতরে ওর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে হয় ১০১ । আমি ওকে Panadol+Brufen দেই। সে তার ঘাড়েও ব্যথা অনুভব করে। আমার Pediatrician স্বামী মনে করেন -ছেলের হয়তোবা Meningitis হতে পারে। কিন্তু ওর কোনো বমি বা বমির কোনো ভাব নেই। আমরা দ্রুত টেস্টের জন্য ব্লাড স্যাম্পল পাঠাই এবং ডাক্তাররা বলেন -ওর Bacterial Meningitis হয়েছে এবং এন্টিবায়োটিকস দেয়া শুরু করি এবং আধ ঘন্টার ভিতরে ওকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করি।

সবসময় আমি ওর সাথে ছিলাম। ওর কোনো ঠাণ্ডা, গলা ব্যথা, কাশি, বুক ব্যথা, পেট ব্যথা এসবের কিছুই ছিলোনা। ডাক্তাররা মনে করছেন-Meningitis ই হয়েছে। নিউরোসার্জন এসে দেখে গেলেন- এবং CT স্ক্যান করা হলো নিশ্চিত হতে আমার ছেলের অন্য কোনো সমস্যা নেই। এ সময় লক্ষ করলাম ওর একটা চোখের কিছু অংশ ফোলা। বুকের এক্সরে করে দেখা যায় ছোট একটা দাগ। ইতোমধ্যে কোভিডের রেজাল্ট আসে। আমার ছেলে করোনায় আক্রান্ত। পরের ৮- ১০ ঘন্টা ছিলো জীবনের দুঃসহ যন্ত্রণার দিন। ওর হার্ট রেট, রেসপাইরেটরি রেট বাড়ছেই, অক্সিজেন লেভেল ড্রপ করছে। প্রতি মুহুর্তে মুহুর্তে ছেলে আমাদের চোখের সামনে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা কেউ কিছুই করতে পারছিনা। কিছু বুঝে ওঠার আগে ছেলে চোখ বন্ধ করে। ও আমাদের ছেড়ে চলে যায়।

ইতোমধ্যে আমার স্বামীরও করোনা পজিটিভ রেজাল্ট আসে। তাকেও আলাদা করা হয়। মেডিকেল প্রসিডিউর অনুযায়ী আমার সন্তান সালমানের জানাজা, দাফন হয়। কাউকে জড়িয়ে ধরে যে কাঁদবো -সেই সুযোগও হয়না। কেউ হাসপাতালে ওয়ার্ডে ভর্তি হচ্ছে । কেউ লাশের গাড়িতে করে সরাসরি কবরস্থান, শশ্মানে চলে যাচ্ছে। কারো পাশে কেউ নেই। আমার সন্তানকে তো আমরা হারিয়েছি। এই শোক এই পৃথিবীতে আর কোনোদিনও কাটিয়ে উঠতে পারবোনা। তাই, নিজের সন্তানকে হারানোর আগে দয়া করে আমার কথাগুলো শুনুন।

এক) ভুলেও মনে করবেন না যে- আপনার করোনা হবেনা। আপনার নিজের না হলেও হয়তোবা আপনি করোনা ভাইরাসের বহনকারী হবেন। আমাদের যেটা মনে হচ্ছে- আমি আর আমার স্বামী প্রতিদিন নিজ নিজ কাজে গেছি। আর হয়তোবা আমরা নিজেরাই আমাদের সন্তানের জন্য বহন করে নিয়ে এসেছি। আর বেচারা ঘরে বসে থেকেই আমাদের কাছ থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

দুই) এখনো সময় আছে সতর্ক হোন। অধৈর্য্য হয়ে ঢিলেঢালা হয়ে চলাটা আপনার জন্য ঠিক মনে করলেও ভাইরাস কিন্তুু সেটা মনে করছে না। তাই, যাবতীয় জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। এখন জীবনের তাগিদে যদি কাউকে বাইরে যেতে হয়- সেক্ষেত্রে কি বলা দরকার সেটা আমার জানা নেই।

তিন) একজন ডাক্তার হিসাবে infertility treatment’র জন্য আমি প্রতিদিন ফোন কল পাচ্ছি। আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ দশবছর অপেক্ষা করতে পেরেছেন। সারা জীবন নিজের জন্য বাঁচতে এবং অন্যকে বাঁচাতে কেন মাত্র আরো ছয়টি মাস অপেক্ষা করতে পারছেন না। প্লিজ ধৈর্য্য ধরুন।

চার) সরকারের দেয়া নির্দেশনা খুবই কড়াকড়িভাবে মেনে চলুন। একজন আরেক জনকে দোষারুপ করলে কিছুই হবেনা। নিজ নিজ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্ক না হলে এই মৃত্যু মহামারী আটকানো যাবে না। হাসপাতালের যাবতীয় সুযোগ সুবিধা পেয়ে, নিজে ডাক্তার, নিজের স্বামী ডাক্তার হওয়ার পরও আমাদের সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে পারিনি।

পাঁচ) আপনাদের মাঝে যারা বলছেন- এসব মিথ্যা। শুধু টাকা আয় করবার কৌশল। তাদেরকে বলছি- আমাদের সব সম্পত্তি দিয়ে দিতে চাই। শুধু আমাদের সন্তানকে একটিবার ফিরিয়ে দিন।

ছয়) যারা মনে করছেন- আমাদের আর করোনা হবেনা। হওয়ার থাকলে এতোদিনে হয়ে যেতো। বিশ্বাস করেন- কিছু বুঝে ওঠার আগেই জীবন শেষ হয়ে যাবে। কিছুই বুঝতে পারবেন না।

জীবন-মরণ আমাদের হাতে না। কিন্তু সাবধান থাকা আমাদের হাতে। তাই, সতর্ক হোন, সাবধান হোন। আর কোনো মাকে যেনো আমার মতো হাহাকার করতে না হয়।

“রাব্বুল আলামীন এই দুঃসময়ে সবার প্রতি সহায় হোন”

বিনীত-

করোনায় মারা যাওয়া সালমান তাহিরের এক দুঃখী মা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
তালায় লকডাউন থাকা পরিবারগুলো খাদ্য সংকটে : মানবিক বিপর্যয়ের আশংকা
পরবর্তী পোস্ট
সাতনদীতে সংবাদ প্রকাশের জেরে শ্যামনগরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রিলেটেড পোস্ট

আদালতের স্থগিতাদেশ ঘিরে প্রশ্নের ঝড় কালুরঘাট ফেরিঘাটের ইজারা...

মে ২০, ২০২৬

সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়েই সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারকাজ করতে...

মে ২০, ২০২৬

একটি শিশুর অসমাপ্ত সকাল, একটি সমাজের নীরব ব্যর্থতা

মে ২০, ২০২৬

কলারোয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ পালিত

মে ২০, ২০২৬

জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা: মূকাভিনয়ে দেশসেরা সাতক্ষীরার জান্নাত...

মে ২০, ২০২৬

ডিসির কাছে ‘এক ডজন’ দাবি তুললেন দেবহাটার নীতিনির্ধারকরা

মে ১৯, ২০২৬

হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু,...

মে ১৯, ২০২৬

হাম আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু, এপর্যন্ত প্রাণহানি...

মে ১৬, ২০২৬

বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় মহাসড়কে বন্ধুদের বিক্ষোভ

মে ১৫, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting