দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
রবিবার | ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ২:৩১
কালিগঞ্জে আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ-ধান রোপণে বাধা
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বিএনপি নেতাকে...
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি মনির, সম্পাদক লিটন
কালীগঞ্জে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বিএনপি নেতাকে কারণ...
দেবহাটায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি ও...
শ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী রুস্তম আলী নিজ উদ্যোগ রাস্তার...
কালিগঞ্জে বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে নেতাকে কুপিয়ে জখম
 শ্যামনগরে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ, একই পরিবারের চারজনকে...
সাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজ
খুলনায় ডাবের দামে পুড়ছে পকেট
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
সাতক্ষীরা সদর

সংযোগ সড়ক নেই, সাঁতরে উঠতে হয় সেতুতে

কর্তৃক kobirubel.satnadee অক্টোবর ৩, ২০২৩
অক্টোবর ৩, ২০২৩ ০ কমেন্ট 279 ভিউস

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বালুইগাছা এলাকার বাঁশগাদা খালের ওপর নির্মাণ করা হয় একটি সেতু। তবে সেতুর চারপাশে অথই পানি, অস্তিত্ব নেই দুই পাশের সংযোগ সড়কের। বিলের মাঝে খাঁড়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা সেতুটি পার হতে চাইলে ব্যবহার করতে হয় নৌকা কিংবা সাঁতরে গিয়ে তারপরে সেতু পার হতে হয়। যদিও সেতুটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল পানি নিস্কাশন ও গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা। তবে এ ধরনের কোনো সুবিধাই পাচ্ছেন না এখানকার মানুষ। বেতনা নদীর বেঁড়িবাধ থেকে বালুইগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তার সংস্কারের মধ্য দিয়ে সেতুর সঙ্গে সংযোগের দাবি স্থানীয়দের। তবেই সেটার সুফল পাবেন এই জনপদের মানুষ। যদি এই এক কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা না হয় সেক্ষেত্রে প্রায় ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা এই সেতুটি নিছক রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ছাড়া কিছু নয় বলে জানায় স্থানীয়রা।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিস থেকে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৩০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।
সাতক্ষীরা সদরের বালুইগাছা এলাকার জামসেদ হোসেন জানান, সেতুটি কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই নির্মাণ করা হয়। যে কারণে সেতুর কোনো সুফল এখানকার লোকজন ভোগ করতে পারছে না। এটা নিছক সরকারি অর্থ অপচয় করা ছাড়া আর কিছুই নয়। যদি সেতু পার হতে চান সেক্ষেত্রে নৌকা দিয়ে কিংবা সাঁতার কেটে এসে তারপর পার হতে হবে। এটা সত্যিই হাস্যকর। এই পাশ দিয়ে অনেক স্কুল শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পারাপার হয়। সেক্ষেত্রে তাদের অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। অন্য মৌসুমে কষ্টরে টুকটাক চলাফেরা সম্ভব হলেও বর্ষার মৌসুম জুড়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় সকলকে। এত টাকা দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না। একই এলাকার সবুজ হোসেন জানান, সেতু তৈরি করেছে কিন্তু সেতুর দুইপাশে কোনো রাস্তা নেই তাহলে এ সেতু দিয়ে কি হবে? এই সেতু পার হতে গেলে প্রয়োজন পড়ে নৌকার। বিলের মধ্যে এমন আজব সেতুর উপকার কী সেটা যারা তৈরি করেছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন।
স্থানীয় বালুইগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, নৌকায় করে কিংবা সাঁতরে সেতু পারাপার হয়ে তারপরে স্কুলে যেতে হয়। সেক্ষেত্রে তাদের জামা কাপড়, বই-খাতা পানিতে ভিজে যায়। সেতুর দুই পাশে রাস্তা করা হলে তাদের এই দুর্দশা থেকে মুক্তি মিলবে।
এদিকে, সরকারি অর্থ অপচয়ের বিষয়টি মানতে রাজি নন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইয়ারুল হক বলেন, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুর সুফল ভোগ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, সেক্ষেত্রে দুই পাশে সংযোগ সড়ক হলে সেতুর সুফল আরও বেড়ে যাবে। তিনি জানান, ব্রিজের দুইপাশে চলাচলের জায়গাটি মাটি দ্বারা ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। বৃষ্টির মৌসুম গেলে কাজটি শুরু করা হবে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, সেতুটি স্থানীয় বাসিন্দাদের উপকারে আসছে না বিষয়টা এমন নয়, সেখানে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে পাশাপাশি দু’পাশের সংযোগ সড়কও রয়েছে। সেক্ষেত্রে যেটা করতে হবে দু’পাশের রাস্তাটা চলাচল উপযোগী করে দিতে হবে। তারপর সেটার পুরোপুরি সুবিধা পাবে স্থানীয় বাসিন্দারা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
ডিজেল, পেট্রোল কম দেওয়ায় জরিমানা
পরবর্তী পোস্ট
আমাদের সময়’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রিলেটেড পোস্ট

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের সীরাত মাহফিল

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় এক বৃদ্ধাকে গভীর রাতে তালা দিয়ে ঘরে...

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় রইচপুর ব্রিজের দু’পাশে বেহাল দশা জনদুর্ভোগ কমাতে...

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

নিয়োগ পরীক্ষায় শিশুর দায়িত্ব নিলেন নারী পুলিশ কনস্টেবল...

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরায় সকল প্রকার দেশী-বিদেশী ঔষধের সম্ভার নিয়ে আহমেদ...

সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬

সাতক্ষীরায় ৩টি অস্ত্র ও ১১ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার...

সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬

সাতক্ষীরায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে,নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ

সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

সাতক্ষীরার তালতলা এলাকা থেকে অজ্ঞাত নারীর মরাদেহ উদ্ধার 

সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting