দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ৮:০৯
নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান পদে তিন প্রার্থীর লড়াইয়ের গুঞ্জন
রাত নামলেই ‘বর্ডারলেস’ বাংলাদেশ! বিজিবি-পুলিশের নামে উঠছে চাঁদা
শ্যামনগরে  নব্বই দশকের ব্রীজ সংস্কারের দাবী 
সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের আংশিক কমিট ঘোষনা 
আমরাও কার্ড এনেছি, লাল কার্ড: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপের চেয়ারম্যানকে অপহরনের অভিযোগ
অর্জন ফাউন্ডেশন ও বিএনপিএস’র উদ্যোগে নারী, শান্তি ও...
শ্যামনগর পৌরসভার মাহমুদপুর এলাকার প্রধান সড়কটি সংস্কারের দাবী...
আশাশুনিতে মাছের ঘের দখলচেষ্টার অভিযোগে মানববন্ধন, রিপন-ছট্টুর বিরুদ্ধে...
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর খাইরুল ইসলামের...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
জাতীয়

‘কী খামু আর ক্যামনে চলুম’

কর্তৃক kobirubel.satnadee মার্চ ৪, ২০২৩
মার্চ ৪, ২০২৩ ০ কমেন্ট 423 ভিউস

জাতীয ডেস্ক:
নিম্ন ও মধ্যবিত্তের পাতে খাসির পর গরুর মাংসও এখন বিলাসী খাবার। নির্ভরতা ছিল পোল্িট্র মুরগির মাংসে। সেটাও এখন নাম লিখিয়েছে বিলাসী খাবারের কাতারে। মাসখানেক আগে যেটা ১৫০-১৬০ টাকা কেজি ছিল, সেটা এখন ২৫০-২৬০ টাকা! এমনকি এখন ভরসা নেই গরীবের মাছ বলে পরিচিত পাঙ্গাসের বাজারেও। ১২০-১৪০ টাকার পাঙ্গাস এখন প্রতিকেজি ২০০’র ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। এমন পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ বলছেন, ‘কী খামু আর ক্যামনে চলুম?’

দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে সাধারণ মানুষের আমিষের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এ অবস্থায় আমিষের চাহিদা পূরণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কথা হচ্ছিল পেরেক কারখানা শ্রমিক সফিয়া খাতুনের সঙ্গে। এসেছেন পরিবারের সাপ্তাহিক বাজার করতে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল নিত্যপণ্যের দাম কেমন দেখছেন? জবাবে তিনি জানালেন, ‘কোন জিনিসটা দাম না, কন? আমরা কী খামু, আর কিভাবে চলমু? পাঙ্গাস মাছ আগে আছিল ১২০-১৩০ টাহা, অহন ১৮০-২০০ টাকা। ক্যামনে কিনমু, আর ক্যামনে খামু।’

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে পরিবারের খাওয়া-ঘর ভাড়া যোগাড় করতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে সফিয়া খাতুনের। এমন পরিস্থিতিতে ঘরে বিবাহ উপযোগী মেয়ে থাকলেও তাকে বিয়ে দিতে পারছেন না তিনি। বলছেন, ‘বিয়া দিমু ক্যামনে! জামাইরে তো কিছু না কিছু দিবার লাগবো, সব জিনিসের যে দাম।’

গরুর মাংস শেষ কবে খেয়েছেন- সেটা মনে করতে বেশ খানিকটা সময় নিলেন সফিয়া খাতুন। মনে করে বললেন, ৬ মাসে তো কিনিনি। গেল কোরবানি ঈদে সবশেষ গরুর মাংস খেয়েছেন বলে জানালেন তিনি।

ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে আসন্ন রমজানে আরও শঙ্কা বাড়াচ্ছে জানিয়ে বললেন, এক কেজি চিনি কত কন? গরীব ঘরে যে ট্যাং গুলিয়ে খাবে সেটাও তো পারবে না। সব জিনিসের দাম বাড়ছে, বেতন বাড়ে না- ক্যামনে চলে মানুষ।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ আমিষ গ্রহণের পরিমাণ কমিয়েছে বলে জানাচ্ছে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইদুল আরেফিন বলছেন, ডাল থেকে আমিষ পেলেও প্রাণীজ আমিষই (মাছ-মাংস) হচ্ছে প্রথম শ্রেণির আমিষ। মানুষের শরীরে আমিষের ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। শিশুদের দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগ দেখা যাওয়া সহ পুষ্টিহীনতায় বর্ধন কমে যেতে পারে।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাজারে মানুষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের এ সঙ্কট আরও প্রকট। এমন পরিস্থতিতে প্রাণীজ আমিষের ঘাটতি পূরণে পণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে রাখার তাগিদ তার।

আর সেটি সম্ভব না হলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে তাগিদ অধ্যাপক ড. সাইদুল আরেফিনের।

পরিবারের সদস্যদের জন্য বাজার করতে এসেছেন হাসেম মিয়া। সাম্প্রতিক বাজারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে। বললেন, আমাদের মতো গরীবের খাসির মাংস বা গরুর মাংস খাওয়ার মতো পরিস্থিতি নাই। দিন দিন দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। এখানে দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ‘পরিচালকেরা’ রয়েছে- যারা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের দায়িত্বশীলতার বড় অভাব। এটা দেখার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকার এটা দেখছে না।

প্রচার এবং বাজারের প্রকৃত অবস্থা আকাশ-পাতাল তফাৎ বলে মন্তব্য তার। তিনি বলছেন, এরা শুধু আছে উন্নয়ন নিয়ে। উন্নয়ন কী হচ্ছে, আমরা গরীব মরে যাচ্ছি। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়লে চাপটা পড়ে জনগণের ওপর। যে বিক্রি করছে তার ওপর কিন্তু পড়ছে না। আমাদের কিনে খেতে হচ্ছে। এখানে আমাদের কী করার আছে।

ধনী-গরীবের পার্থক্য দিন দিন যোজন যোজন বাড়ছে বলে মন্তব্য হাসেম মিয়ার। উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বড় লোক দিন দিন বড় লোক হচ্ছে, গরীব আরও গরীব হচ্ছে। তারা এক হাজার-দুই হাজার-পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে একটা ইলিশ মাছ কিনে খেতে পারে। আমরা তো আর খেতে পারি না। মাছ তো ঠিকই গেছে, মাছ কি বাজারে আছে?

‘সব কিছুতে বাড়তি দাম, চলতে কষ্ট হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে গরীব মরনের অবস্থা’ বলে মূল্যায়ন তার।

রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টিসিবির মূল্য তালিকায় এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য ১৮৫, চিনির মূল্য ১১০ থেকে ১২০ টাকা। হলে খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন ১৯০ টাকা এবং চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। প্যাকেটজাত চিকন দানার লবনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ টাকা পর্যন্ত।

প্রাণীজ আমিষের মধ্যে খাসির মাংস ১১০০, ছাগলের মাংস ৯০০, হাঁড়সহ গরুর মাংস ৭৫০, ব্রয়লার মুরগি ২৫০, সোনালী মুরগী ৩৪০, পাঙ্গাস মাছ ২০০, চাষের কৈ মাছ ২৪০, তেলাপিয়া ২২০, রুই মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তেজিভাব সবজির বাজারেও, স্বস্তির খবর নেই সাধারণ মানুষের। দু-একটি বাদে অধিকাংশ সবজী বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার বেশি দরে। প্রতিকেজি বেগুন ৬০, করলা ৮০, শিম ৬০, শসা ৪০, গাজর ৪০, টমেটো ৩০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, ঢেঁড়স ৮০, কচুর লতি ৮০, চিচিঙ্গা ৬০, মরিচ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
শুটিং সেটে নোরার সাথে হাতাহাতি, কী এমন হয়েছিল?
পরবর্তী পোস্ট
বিএনপির ২৭ দফায় ‘রাষ্ট্র মেরামত’ আদৌ সম্ভব, প্রশ্ন সজীব ওয়াজেদ জয়ের

রিলেটেড পোস্ট

রাত নামলেই ‘বর্ডারলেস’ বাংলাদেশ! বিজিবি-পুলিশের নামে উঠছে চাঁদা

মে ১৩, ২০২৬

আমরাও কার্ড এনেছি, লাল কার্ড: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

মে ১৩, ২০২৬

সেভ দ্য রোডের পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

মে ৯, ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা...

মে ৪, ২০২৬

মে দিবস: শিকাগো থেকে ঢাকা- শ্রমের মর্যাদা ও...

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

সাতক্ষীরায় আম ক্যালেন্ডার ঘোষণা 

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

আশাশুনিতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালন

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

আশাশুনি সদরে সমুদ্রে মাছধরা জেলেদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ

এপ্রিল ২২, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting