দেশের খ্যাতনামা এই চিকিৎসক বলেন, ‘সব খাবার ঘরে বানান এবং খুব ভালো করে সিদ্ধ করে রান্না করুন। কাঁচা খাবার লেটুস ইত্যাদি, কেক, পেস্ট্রি না খাওয়াই ভালো। আধা সিদ্ধ ডিম পরিহার করা উচিত। আর বিশেষ ধরনের কাবাব যা আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করা হয় এগুলোর মাঝখানটা পুরোপুরি সিদ্ধ নাও হতে পারে। সুতরাং এগুলো না খাওয়াই উচিত।’
ঈদের দিনে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে না গিয়ে টেলিফোনে শুভেচ্ছা জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন বি. চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঈদের দিনেও প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করুন, পলিগ্লাভস ব্যবহার করুন। ঘরে থাকুন নিজে নিরাপদ থাকুন এবং প্রিয়জনকে নিরাপদ রাখুন।’
সামাজিক দূরত্ব মেনে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে হবে, বলে পরামর্শ দেন বি. চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের ৬ ফুট বা ২ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ঈদের নামাজ পড়ে দেরি করা যাবে না। কোলাকুলি এবং হ্যান্ডশেক কিছুতেই করা যাবে না। ছোট বাচ্চাদের চুম্বন বা আলিঙ্গন করা যাবে না। কদমবুসি বা পা চুম্বন না করাই উত্তম।’
বদরুদ্দোজা চৌধুরী আরও বলেন, ঈদের দিনে ফিতরা, ভিক্ষা দেওয়া এবং অন্যভাবে টাকার নোট বা কয়েন লেনদেনের বিষয় থাকে। তবে মনে রাখতে হবে টাকার নোট বা কয়েনের মাধ্যমেও কোভিড-১৯-এর জীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকে যায়। তবে টাকার নোট যদি নিরাপদ স্থানে চার দিনের মতো ফেলে রাখা হয় তাহলে সাধারণত কোভিড-১৯ জীবাণু বেঁচে থাকতে পারে না বলে জানান তিনি। সূত্র: