দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি | সন্ধ্যা ৭:১১
শ্যামনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সাতক্ষীরায় মিছিলের প্রস্তুতি কালে কালিগঞ্জের যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী...
কলকাতার হোটেলে আগুন প্রাণ গেল কালিগঞ্জের ২ জনের:-
শ্যামনগরে নওয়াবেঁকী মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার...
সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা
সাতক্ষীরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চার কর্মী আটক
আদালতের নোটিশের মধ্যেই বিরোধপূর্ণ জমিতে দোকান বসানোর অভিযোগ
দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রুটিন পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার...
আশাশুনিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমাবেশ
কাদায় বেহাল কৈখালীর ‘আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার’...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শ্যামনগর

শ্যামনগরে ঈশ্বরীপুর প্রাচীন শাহী মসজিদ

কর্তৃক kobirubel.satnadee সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯
সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ ০ কমেন্ট 486 ভিউস

সিরাজুল ইসলাম, শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ ঘরের প্রয়োজনে জঙ্গলের মাটি কাটছিলেন এক ব্যক্তি। হঠাৎ শক্ত কিছুতে বেঁধে গেলো কোদাল। মাটি সরিয়ে পাওয়া গেলো দেওয়াল, ছাদ, গম্বুজের অবয়ব। গ্রামবাসী মিলে চারপাশের মাটি সরালে বেরিয়ে পড়লো আস্ত মসজিদটাই। ১৩৩ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা। আর চওড়া মাত্র সোয়া ৩২ ফুট। এমন লম্বাটে আয়তাকার মসজিদ আর কোথাও কেউ দেখেছে কি না কে জানে!
এলাকায় গায়েবি মসজিদ নামে নাম ছড়িয়ে পড়লো মসজিদটির। কাগজপত্রে বংশীপুর শাহী মসজিদ নাম হলো প্রার্থনা ঘরটার। দলে দলে মানুষ এসে ফের আবাদি করে তুললো মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা পরিত্যক্ত মসজিদটাকে। ঠিক কবে কে এই মসজিদ নির্মাণ করেছেন তার সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখ বলা মুশকিল। তবে স্থাপত্য রীতিতে এটিকে মুঘল আমলের বলেই অবিভিত করা হচ্ছে। দাবির পারদ আর একটু চড়িয়ে মসজিদ কমিটি বলছে, এই মসজিদ মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে নির্মিত।এবার ইতিহাসের কষ্টিপাথরে মসজিদটাকে যাচাই করে নেওয়া যাক। যেহেতু নির্মাণ রীতি মুঘল, তাই ষোল শতক থেকে আঠার শতক পর্যন্তযে কোনো সময়ই এই মসজিদ নির্মাণ হওয়ার সুযোগ থাকে।
কিন্তু মসজিদটার অবস্থান মূলত ষোড়শ’ শতকের যশোরের রাজা, বাংলার বিখ্যাত জমিদার বা ভুঁইয়া প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ধুমঘাটের কাছেই, ঈশ্বরীপুরে। যেখানে সুলতান দাউদ খান কররানির সম্পদে মহারাজা বনে যাওয়া রাজকর্মচারী শীহরির (শ্রীধর) রাজ্য। যার ছেলে প্রতাপাদিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত যশোরেশ্বরী ও চন্ডা মন্দির, যিশুর গির্জা আর হাম্মামের অবস্থান এই মসজিদের খুব কাছেই।
যেহেতু বিশ শতকের গোড়ার দিকেই মাটির নিচ থেকে মসজিদটি নতুন করে আবিষ্কৃত হয়। তাই নির্মাণের পর মসজিদটি বহু বছর পরিত্যক্ত ছিলো। বাংলাদেশের গ্রীষ্মমন্ডলীয় আবহাওয়ার অনুকুলে দ্রুত বেড়ে ওঠা লতা-গুল্ম ঢেকে ফেলেছিলো মসজিদটাকে। তারওপর এ মসজিদের গাঁথুনিতে ব্যবহৃত ইটের সঙ্গে মিল রয়েছে অনতি দূরের যশোরেশ্বরী আর বারোদুয়ারি মন্দিরে ব্যবহৃত ইটের। তাহলে ধুমঘাটে রাজধানী স্থাপনের সময়ে ঈশ্বরীপুরসহ আশপাশের এলাকায় নির্মিত ইমারতগুলোরই একটি হওয়ার সুযোগ উজ্জ্বল হয় মসজিদটির। এ মসজিদের আগেও নামও ওই সময়কেই নির্দেশ করে। কার্যত রাজা প্রদাপাদিত্যের একজন বিশ্বস্ত সেনাপতি ছিলেন খাজা কামাল। মুসলিম সৈন্যদের জন্য তার উদ্যোগে এখানে প্রথমে একটি ছাউনি গড়ে প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়। এ ধরনের ছাউনিকে তখন টেঙ্গা বলা হতো। এই ফারসি শব্দটির বাংলা অর্থও ছাউনি। ছাইনির কারণেই টেঙ্গা মসজিদ নামে পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে মসজিদটির। কিন্তু পরিত্যক্ত হয়ে পড়ার পর টেঙ্গা নামটি হারিয়ে যায়। বর্তমানে বংশীপুর শাহী মসজিদ নামে পরিচিতি এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটিকে তাই সম্রাট আকবর ও রাজ প্রতাপাদিত্য উভয়ের শাসনামল ধরেই হিসাব করা ভালো। দিল্লির মসনদে সম্রাট আকবর ছিলেন ১৫৫৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। আর ১৫৭৪ সালে রাজবংশ প্রতিষ্ঠার মাত্র বছর দশেকের মাথায় ১৫৮৪ সালে পিতার স্থলাভিষিক্ত হন প্রতাপাদিত্য।যেহেতু ১৫১১ খিস্ট্রাব্দে প্রতাপাদিত্যের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই শুরু হয় তাই শেষ কয়েক বছর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের মতো শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি প্রতাপাদিত্যের রাজ্যে থাকার কথা নয়। আর ১৫১১ সালে মুঘলদের সঙ্গে যুদ্ধে খাজা কামাল প্রতাপাদিত্যের নৌবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হয়ে ক্ষুদ্ধক্ষেত্রে সময় কাটাতে থাকেন। আবার ১৫৮৪ সালে সিংহাসনের আরোহনের পর সেনাবাহিনী গোছাতেই প্রতাপাদিত্যের কয়েক বছর লেগে যাওয়ার কথ। তাই ধরে নেওয়া যায়, ষোল শতকের শেষ দিকে এ মসজিদটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে মুঘল বাহিনীর কাছে প্রতাপাদিত্যের শোচনীয় পরাজয়ের পর মসজিদটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।

কিন্তু স্থানীয়দের আবিষ্কার করা এ মসজিদ তার ঐহিত্য হারাতে থাকে স্থানীয়দেরই অদূরদর্শিতায়। উদ্ধারের পর মসজিদটি তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয় ভারতীয় প্রতœতত্ত্ব বিভাগ। কিন্তু স্থানীয়রা নিজেদের মতো করে সংস্কার করতে দিয়ে মসজিদটির অনেক কিছুই নষ্ট করে ফেলে। মসজিদের নকশা ও ইটের কারুকাজ সিমেন্ট-বালির পোস্টারে ঢেকে দেয় তারা। পরে মোজাইক করে ঢেকে দেয় মসজিদের মেঝে। বর্তমান মসজিদটির মেঝে অনেকটাই বসে গেছে। সংস্কারকদের আনাড়িপনায় গম্বুজের নিচ থেকে আটকোণাকার ঘাড়গুলো আজ বিলুপ্ত। খাঁজগুলো মুছে গেছে খিলানাকার দরোজা থেকে। উত্তর ও দক্ষিণের খিলান দরজা দু’টো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাকা গাথুনিতে। ছাদের কার্নিশ দেখে বয়স আন্দাজ করার জো নেই। চকচকে টাইলস বসে আড়াল করে দিয়েছে ৭ ফুট প্রশস্ত দেওয়ালের শরীর। তবে প্রতিটি মিহরাব আর দরোজার খিলানে যে খাঁজকাটা ছিলো তা কিছুটা অনুমান করা যায় বর্তমান অবয়ব থেকেও। লম্বাটে আয়তাকার মসজিদটির ওপরে পাঁচটি গম্বুজ। প্রতিটি গম্বুজের নিচে প্রায় বর্গাকৃতি ৫টি পৃথক কক্ষের অবয়ব। লম্বা ঘরের ভেতরে মসজিদটি তাই পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগা পাঁচটি কক্ষের সমষ্টি তৈরি করেছে। মাঝেরটি পুরোপুরিই বর্গাকৃতি বলা যায়। প্রতিটি কক্ষের পশ্চিম দেওয়ালে অবতল মিহরাব। মাঝের মিহরাবটি অপরগুলোর তুলনায় একটু বড়। মসজিদটির উত্তর-পূর্ব দিকে হাল আমলে নির্মিত কয়েক তলা উঁচু মিনার। উদ্ধারের পর টেঙ্গা মসজিদ প্রাঙ্গণে কয়েকটি বৃহদাকার কবর পাওয়া যায়। এগুলোর একটি ১৪ হাত লম্বা। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বার ওমরাহ বলা হয়ে থাকে। এগুলো প্রতাপাদিত্যের বিরুদ্ধে প্রেরিত ১২ মুঘল সেনাপতির সমাধি বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে মসজিদটির পূর্ব দিকে নব নির্মিত বারান্দার সঙ্গে ২টি দীর্ঘকায় কবর ঘিরে রাখা আছে। প্রাচীন কুয়াটা চাপা পড়েছে ওই বারান্দারই নিচে। একটি নতুন কুয়া খুঁড়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। শ্যামনগর থেকে মুন্সীগঞ্জের দিকে যেতে বংশীপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে পূর্ব দিকে কয়েকশ’ মিটার হাঁটলেই ঈশ্বরীপুরে এই মসজিদের অবস্থান। মসজিদের কাছেই পুরনো কবরস্থান আর ঈদগাহ।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
কলারোয়ায় বঙ্গবন্ধু ফুটবল টুর্নামেন্টে দেয়াড়া, পৌরসভা ও চন্দনপুরের জয়
পরবর্তী পোস্ট
শ্যামনগরে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক 

রিলেটেড পোস্ট

শ্যামনগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগস্ট ২০, ২০২৬

শ্যামনগরে নওয়াবেঁকী মাদরাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার...

আগস্ট ২০, ২০২৬

কাদায় বেহাল কৈখালীর ‘আলহাজ্ব মরহুম আদম গাজীর কেয়ার’...

আগস্ট ১৬, ২০২৬

অপপ্রচার চালিয়ে শ্যামনগরে এক নারী এনজিও কর্মীকে ফাঁসানোর...

আগস্ট ১০, ২০২৬

শ্যামনগরের ডিমওয়ালা মা মাছ বিলুপ্তির পথে

আগস্ট ৪, ২০২৬

শ্যামনগরের ডিমওয়ালা মা মাছ বিলুপ্তির পথে।

আগস্ট ৪, ২০২৬

সুন্দরবন সংলগ্ন মুন্সীগঞ্জ বাজারের সুইচগেট বেহাল: ঝুঁকিতে হাজারো...

আগস্ট ৪, ২০২৬

শ্যামনগর উপজেলার ধুমঘাট গ্রামে পৃথক দুর্ঘটনায় কৃষক ও...

আগস্ট ৩, ২০২৬

সবসময় অসহায় মানুষের পাশে কাশিমাড়ী ইয়ুথ সোসাইটি অল্প...

আগস্ট ৩, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting