
শাহীন বিশ্বাস, পাটকেলঘাটা থেকে: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার আটারোই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী সরদার সাইফুল ইসলাম উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া প্রাচীরের পিছনে একটি দ্বিতল ভবনের বাড়ি নির্মাণ করেন প্রাচীন নির্মাণের বহু আগে। ওই বাড়িতে তিনি ও তার পরিবার এবং ভাড়াটিয়ারা দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছেন ।
এমতাবস্থায় উপজেলা প্রশাসন ২০২৬ সালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করে। তালা আটারোই গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের পুত্র
সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবার এবং ভাড়াটিয়াদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোন রাস্তা না থাকায় বর্তমানে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তিনি নিরুপায় হয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ৭/৮ ফুট একটি পকেট গেটের জন্য চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেন । আবেদনে সাতক্ষীরা -১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ সুপারিশ করেন। কিন্তু সে সুপারিশ কোন কাজে লাগেনি । অন্যদিকে তিনি চলতি বছরের ২২ জুলাই সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর ওই পকেট গেটের জন্য আরেকটি আবেদন করেন ।
কিন্তু সাইফুল ইসলামের আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এদিকে সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবার এবং ভাড়াটিয়ারা একেবারেই অবরুদ্ধ হয়ে পডড়েছে। কিন্তু তা দেখার কেউ নেই।
তাই অবশেষে তিনি উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন । যার নং- ৯৮২০/২৬ । রিট পিটিশনটি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি অন্তে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সচিব, এলজিইডি মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা, তালা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তালা উপজেলা প্রকৌশলী সাতক্ষীরার বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহের রুল জারি করেন।
এছাড়া জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে রিট পিটিশনকারীর আবেদন দুটি ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
এ বিষয়ে রিটকারী সরদার সাইফুল ইসলাম জানান, আমি ও আমার পরিবার এবং ভাড়াটিয়ারা দীর্ঘদিন যাবত বাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে আছি বের হওয়ার কোন রাস্তা নেই ।
এ ব্যাপারে সরদার সাইফুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী ও এলজিইডি মন্ত্রীর তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

