দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি | বিকাল ৫:৫৩
সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর নজরদারি বিজিবির
সুন্দরবনে ‘জনাব বাহিনী’র প্রধান ফারুকসহ তিনজন গ্রেপ্তার
ফিরে দেখা ইতিহাসঃ “ঐতিহাসিক ৬ দফা: বাঙালির মুক্তির...
বিএনসিইউপি’র খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হলেন এস....
মৎস্য বিভাগের সাথে যোগসাজসে অবৈধ ভেনামী চিংড়ির ব্যাবসা...
শ্যামনগরে অসামাজিক কার্যকলাপের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ‘সাতনদী’র...
রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ
সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের শুভেচ্ছা...
জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুর ইসলাম হাবিবের সাথে স্বেচ্ছাসেবক...
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে প্রাথমিক...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনি

নাব্যতা হারিয়েছে বেতনা, ভূমি দস্যুদের দখলে নদীর চর

কর্তৃক kobirubel.satnadee জুলাই ১৮, ২০২১
জুলাই ১৮, ২০২১ ০ কমেন্ট 345 ভিউস

শেখ বাদশা: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা, কুল্যা, সদরের ধুলিহর ও বিনেরপোতা এলাকা দিয়ে প্রভাবিত বেতনা নদী এখন মৃত প্রায়। আশাশুনি উপজেলা এলাকায় এখনও নদীতে জোয়ার ভাটা প্রভাবিত হলেও সদরের মধ্যে এক প্রকার নেই বললেও চলে। নদীটি আশাশুনির খোলপেটুয়া নদী থেকে একটি শাখা বের হয়ে বেতনা নদী হিসেবে কাদাকাটি, বুধহাটা, কুল্যা, ধুলিহর ইউনিয়নের বুক চিরে, বিনেরপোতা, রাজনগর, ঝাউডাঙ্গা বাজার, কলারোয়া বাজার, কুশোরডাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে জগদানন্দকাটি বাজার ও বাগআচড়া ইউনিয়ন হয়ে নাভরণ বাজার হয়ে শাখরা নদীতে গিয়ে মিশে গেছে। বেতনা নদীতে আশাশুনি উপজেলার মধ্যে জোয়ার ভাটা প্রভাবিত থাকলেও সাতক্ষীরা সদরসহ কলারোয়া, নাভরণ এলাকায় খালে পরিনত হয়েছে।

বেতনা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে একাধিক ইটভাটা, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এসকল অবৈধ দখলদারের তালিকা তৈরি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তালিকা তৈরি হলেও অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়নি। নানা কারণে থমকে গেছে এই উদ্যোগ। অপর দিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের এক শ্রেণির কর্মচারীদের সহযোগিতায় নদীর বুকে ইটভাটা স্থাপন, নদীর পাড় বেধে জায়গা দখল করে সরু খালে পরিনত করা, নদীর উপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে মাটি ও কাঁচা ইট এপার ওপার করা, চর থেকে মাটি কাটা, চর দখল করে ইট ভাটার চাতাল ও মৎস্য ঘের করা, নদীর সাথে সংযুক্ত একাধিক খালের মুখ বেধে মৎস্য চাষ করছে স্থানীয় ভূমি দস্যুরা। ফলে এককালের খরস্রোতা বেতনা নদীর যেন এখন আর কোন অস্তিত্বই নেই। নদীর অধিকাংশ স্থানে শুকনো ও মরা খালে পরিণত হয়েছে। ভেস্তে গেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘ব্লু-গোল্ড প্রোগ্রাম-এর কার্যক্রম। বর্তমানে বেতনা নদী পায়ে হেঁটে এপার ওপার করে মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দু’বছরেই বেতনা নদীর নতুন নাম হবে ‘বেতনা বাওড়’।

এদিকে নদীর ভেতর ও চরের পলিমাটি ভেকুমেশিন লাগিয়ে মাটি কেটে নিয়ে ব্যবহার করছে ভাটাগুলোতে। আবার সুযোগ বুঝে এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী মহল নদীর দু’পাশের চরের কিছু কিছু জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে ভূমিহীনদের নামে ইজারা নিয়ে মাছের ঘের ও ধান চাষ শুরু করেছে। পরবর্তীতে সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বিক্রয় বাবদ তাদের কাছে থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এই ভাবে বসতি স্থাপন করায় বিভিন্ন স্থানে নদীর চরে গড়ে উঠেছে পাড়া মহল্লা। এসকল বসতিরা নদীর ধারে নির্মান করছে অস্বাস্থ্যকর পায়খানা। তাছাড়া বেতনা নদীর চরে জেগে ওঠা সরকারি খাস জমির দখল নিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অহরহ ঘটছে সংঘর্ষের মত ঘটনাও। এসকল ভূমি দস্যুদের নদীর তীর থেকে উচ্ছেদ না করলে বেতনা নদীর নাম পরিবর্তন হয়ে বেতনা বাওড় নামে রুপান্ত্রিত হতে সময় লাগবে না। ঠিক তেমনি বর্ষা মৌসামে জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন হয়ে দাড়াবে সাধারণ মানুষের। এমতাবস্থায় বেতনা নদীটির প্রাণ ফিরে পেতে দ্রুত নদী খনন ও দখলদার উচ্ছেদ করা জরুরী বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
পাইকগাছার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত
পরবর্তী পোস্ট
বুধহাটায় কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

রিলেটেড পোস্ট

আশাশুনিতে লিডার্সের বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও...

জুন ৯, ২০২৬

বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

জুন ৯, ২০২৬

আশাশুনিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ব্র্যাকের বৃক্ষ রোপন...

জুন ৯, ২০২৬

আশাশুনিতে পুলিশী অভিযানে ৪জন গ্রেফতার

জুন ৮, ২০২৬

কফিনবন্দি হয়ে নিজ বাড়িতে ফিরল সাতক্ষীরার দুই প্রবাসীর...

জুন ৭, ২০২৬

আশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহ্বায়কে মারধোর

জুন ৬, ২০২৬

বুধহাটা কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষকের পরলোকগমন

জুন ৫, ২০২৬

মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন জাফর ইকবাল শিমুল

জুন ৫, ২০২৬

আশাশুনিতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ঘের দখলের অভিযোগ

জুন ৫, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting