দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বুধবার | ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৬শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | রাত ৯:৪৫
রোটারী ক্লাবের উদ্যোগে উদ্যোগেঅসচ্ছল-মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাগ ও...
দেবহাটায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা
জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে, গাজী...
কলারোয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা
আশাশুনি উপজেলা মৎস্যজীবি দলের আনন্দ শোভাযাত্রা ও প্রতিবাদ...
আশাশুনিতে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
আশাশুনির বাইনতলায় নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক
আশাশুনিতে অপহরণ মামলার  আসামিসহ গ্রেফতার ৬ 
কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠনে সার্চ কমিটির...
সাতক্ষীরায় ২৫০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সূচনা জাতীয় গ্রিডে...
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
উপ-সম্পাদকীয়

‘একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের’ —সুভাষ চৌধুরী

কর্তৃক kobirubel.satnadee আগস্ট ১১, ২০১৯
আগস্ট ১১, ২০১৯ ০ কমেন্ট 428 ভিউস

সকালে ঘুম থেকে উঠতেই সবার মুখে মুখে একটি কথা ঢাকায় কী যেনো ঘটেছে। কেশবপুরের এমপি সুবোধ কুমার মিত্র ঢাকা ছেড়ে কোথায় যেনো হারিয়ে গেছেন। তালার এমপি সৈয়দ কামাল বখত সাকি ঢাকা থেকে বের হবার পর গ্রেফতার হয়েছেন। এমন বেশ কয়েকজন এমপিকে আটক করা হয়েছে। এসব কথা চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে আসলে কী ঘটেছে কেনো এবং কিভাবে এসব ঘটেছে তা নিয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষনও চলছে। খবর এলো বঙ্গবন্ধুকেও তারা গ্রেফতার করেছে। কোনটি সত্য কোনটি মিথ্যা তা নিয়ে ছিল দারুণ দ্বিধাদ্বন্দ্ব। জনমনে শুধু আতংক আর উদ্বেগের চিহ্ণ। আমরা সঠিক কোনো খবরই পাচ্ছিলাম না। পাবো কি করে তখন তো আর মোবাইল ছিল না, ইন্টারনেট ছিল না। টেলিফোন ছিল সীমিত সংখ্যক। তাও আমজনতার কথা বলতে গেলে যেতে হতো এক্সচেঞ্জ পর্যন্ত। যাদের নিজস্ব টেলিফোন আছে তারাও যে সব কিছু জানতে পেরেছেন তাও কিন্তু নয়। দিনভর শুধু উত্তেজনা আর অপেক্ষা কি হলো না হলো তা নিয়ে। রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কম।হাটে বাজারে লোকজন নেই। গাড়ি ঘোড়ার চলাচল স্থবির। স্কুল কলেজ থমথমে। মুখের স্বাভাবিক চেহারার হাসিটুকুও যেনো উবে গেছে। তখনও টেলিভিশন আসেনি গ্রামে গঞ্জে। আছে মাত্র কিছু সংখ্যক ফিলিপস রেডিও। ব্যাটারি লাগিয়ে অন করলে তাও ঘড়ঘড় কড়মড় করে। নব ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যদি বা বাংলাদেশ বেতার পাওয়া যায় তথাপিও সেখানে কৌতুহল মেটানোর তথ্য মেলে না। আর সে রেডিও স্টেশন তো সেনাদের দখলে। সকালে সেই রেডিও থেকে অনেকে শুনেছেন ঘাতকদের কথা ‘ শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে’। তবে এ কথা বহুজনের কানে কিন্তু দিনভর পৌছায়নি। আর যিনি এখবর পেয়েছেন তিনিও আতংকিত হয়ে তা চেপে রাখার চেষ্টা করেছেন।
তখনকার দিনে মানুষ বিশ^াস করতো বিবিসির খবর, ভয়েস অব আমেরিকার খবর। দুপুরে কোলকাতার খবর শুনতে সেকি উপচে পড়া ভিড় মানুষের। নির্দিষ্ট সময়ে ইথারে ভেসে এলো ‘আকাশবাণী কলকাতা, খবর পড়ছি দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছে বাংলাদেশের বিপথগামী সেনারা। রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল করেছেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ। কিছুক্ষণ পর দিল্লীর খবর ‘ আকাশবাণী , খবর পড়ছি ইলা মিত্র। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে একদল বিপথগামী সেনা সদস্য সপরিবারে হত্যা করেছে। বাংলাদেশের ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে’। গ্রেফতার করা হয়েছে বহু নেতাকে। দুপুর থেকে এসব খবর পেয়ে কৌতুহলী মানুষ অস্থির হয়ে ওঠেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে সেনা সদস্যরা একথা বিশ^াসে আনতেই পারছিলেন না তারা। অবশেষে বেদনাভারাক্রান্ত হৃদয়ে বিশ^াস প্রতিস্থাপিত হলো সন্ধ্যায় বিবিসির খবরে । আর রাতে ভয়েস অব আমেরিকার খবরে। এ খবর নিয়ে সারারাত কাটলো সে যেনো এক বিভীষিকার অন্ধকারে। এরপরও বিস্তারিত খবরের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকা মানুষ আরও বিস্তারিত খবরের সন্ধান করছিলেন। তাই ক্রোধ, বিষাদ, ঘৃণার রোষানলে আর সেই সাথে প্রতিশোধ মানসিকতায় তারা জ¦লে উঠছিলেন বারবার। এরপর অপেক্ষা খবরের কাগজের। সম্ভবতঃ একদিন পর গ্রামে পৌছালো দৈনিক পূর্বদেশ। পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা’। একটি ইংরাজী দৈনিকের খবর ‘ইধহমড়নধহফযঁ অংংধংংরহধঃবফ’ । আমাদের মুখ থেকে যেনো কোনো ভাষা আর বের হচ্ছিল না। শোকে স্তব্ধ হয়ে গেল মানুষ। ভেতরে ভেতরে তারা জ¦লে উঠতে থাকলেন। কিন্তু ১৪৪ ধারা ও কারফিউ জারির পর পুলিশ ও মিলিটারিদের বুটের শব্দ তাদের আতংকিত করে তুলছিল বারবার।
এতো সবের পরও মানুষ বিশ^াস করতে চায়নি যে বঙ্গবন্ধুকে কেউ হত্যা করতে পারে। তারা বিশ^াস করেছে ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত , বঙ্গবন্ধু মরে নাই, যদি দেখা যেতো মিছিলে বঙ্গবন্ধু’। কিন্তু তাদের সে বিশ^াসকে নস্যাৎ করে দিয়ে প্রমানিত হলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে দিকভ্রষ্ট বিপথগামী ঘাতকের দল। জানা দরকার যে কিউবার নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো বলেছিলেন ‘ আমি হিমালয় দেখিনি, আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি’। নিউজ উইক পত্রিকা বলেছিল ‘ পোয়েট অব পলিটিক্স’। ফিনানসিয়াল টাইমসএর মন্তব্য ‘মুজিব না থাকলে বাংলাদেশ কখনও জন্ম নিত না’। যে বঙ্গবন্ধুকে দেশ বিদেশের মানুষ এমনসব উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেছে সেই বঙ্গবন্ধু তার নিজ মাটিতে তার দেশের মানুষের হাতে প্রাণ দেবেন এ বিশ^াস কেউ করতে পারেনি। তবু সত্য কথা এই যে ১৫ আগস্ট এর কালো রাতে জাতির পিতার বুকের রক্ত সিঁড়ি বেয়ে নিচে গড়িয়ে গেছে। রক্তে ভিজে উঠেছে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি।রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সুরক্ষিত বাসভবন ছেড়ে শুধুমাত্র আমজনতার মধ্যে থাকার ইচ্ছার কারণে বঙ্গবন্ধু বাস করতেন এই ৩২ নম্বরে। আর সেখানেই পৈশাচিক কায়দায় বন্দুক হাতে হামলা করলো একদল দিকভ্রান্ত সেনা সদস্য। তাদের বুলেটের আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় পুরো বাড়িটি। বয়ে যায় রক্তের বন্যা। এই বাড়িটিই ছিল বাঙ্গালির স্বাধিকার, বাঙ্গালির স্বাধীনতা, গনমুক্তির আন্দোলন সংগ্রামের তীর্থভূমি। সেখানেই সিঁড়িতে পড়ে রইলেন বাঙ্গালি মুক্তির মহানায়ক বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দিকভ্রান্ত ঘাতকরা বাংলার নরশার্দুলের নশ^র দেহকে ছিন্ন ভিন্ন নিশ্চিহ্ণ করলেও অবিনশ^র রয়েছে তার কীর্তি, তার জীবনজয়ী আন্দোলন , তার অর্জন , তার বজ্রকন্ঠ ভাষন, তার স্বাধীনতার সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু তাই ‘মরে যাননি তিনি হৃদয়ের গভীরে রয়েছেন পরম যতনে’। মাত্র ৫৫ বছরের জীবনে তিনি স্বদেশের মাটি ও মানুষকে বেঁধেছিলেন হৃদয়ের বন্ধনে। সেই মাটি তাকে ছাড়েনি , সেই মানুষ তাকে ছাড়েনি। তার কীর্তি তার আদর্শ আর তার ভালবাসায় বাঙ্গালি গড়ে তুলেছে নতুন এক সৌধ। এই সৌধই বাঙ্গালির অতন্দ্র প্রহরী। বঙ্গবন্ধু বারবার বলে গেছেন ‘আমি সাতকোটি বাঙ্গালির ভালবাসার কাঙ্গাল, আমি সব হারাতে পারি, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ভালবাসা হারাতে পারবো না’। তিনি বলেছিলেন ‘ওরা চিলির আলেন্দেকে হত্যা করেছে’। এর মধ্য দিয়ে তিনি আশংকা করেছিলেন কোনো বৈদেশিক শক্তি তাকে হত্যা করতে পারে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তার পরোয়া করেন নি। তিনি বলেছিলেন বিশ^ আজ দুই ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।
বেদনাবিদুর ১৫ আগস্টের পর বাঙ্গালি জাতির মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবি লিখেছেন ‘কাঁদো বাঙ্গালি কাঁদো, যদি বাঙ্গালি হও নিঃশব্দে কাছে এসো, আরও কাছে, এখানেই শুয়ে আছেন অনন্ত আলোয় , নক্ষত্রলোকে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’। কবি অন্নদাশংকর রায় বাংলাদেশকে বলেছেন ‘মুজিব ল্যান্ড’। অন্নদাশংকর রায় আরও লিখেছেন ‘ যতদিন রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান’। ১৯৭১ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বারবার উচ্চারিত হয়েছে ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি আকাশে বাতাসে ওঠে রনি, বাংলাদেশ,আমার বাংলাদেশ, বিশ^কবির সোনার বাংলা নজরুলের বাংলাদেশ, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা রূপের তো তার নাইকো শেষ’। সেই বাংলা রয়েছে লালসবুজ পতাকা নিয়ে । সেই বাংলা এখন বিশ^ দরবারে রয়েছে মাথা উঁচু করে। সেই বাংলায় পাখিরা মুক্ত আকাশের কোলে উড়ে বেড়ায়। সেই বাংলার মানুষ নিজেদের স্বাধীন বলে গর্ববোধ করে। সেই বাংলার মানুষ মুক্তির জন্য সাগর পরিমান রক্ত দিয়েছিল। সেই বাংলা নির্ভয়ে কথা বলছে মাতৃভাষা বাংলায়।অথচ সেই বাংলায় শুধু নেই শেখ মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতি বছর ঘুরে ফিরে আসে এই ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। এদিন সব হারানোর দিন। এদিন তবু জ¦লে ওঠার দিন। এদিন দ্রোহের দিন। শোকের আবহে এদিনকে শক্তিতে পরিণত করার দিন। এদিন নতুন প্রতিশ্রুতির দিন। এদিন বাঙ্গালির মুক্তপ্রাণে প্রতিধ্বনিত হোক ‘বঙ্গবন্ধু চিরঞ্জীব’।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বাণী
পরবর্তী পোস্ট
সাতক্ষীরায় পুলিশী অভিযানে গ্রেফতার-২৩

রিলেটেড পোস্ট

কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা বৃদ্ধি, তা দমনে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক...

অক্টোবর ৪, ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা

অক্টোবর ১, ২০২৬

 চিকিৎসক-রোগীর আস্থাই স্বাস্থ্যসেবার প্রাণ, কনসাল্টেন্সির বাইরে প্রয়োজন কোঅপারেশন

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে হবে

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

পদ্মা ব্যারেজ -পানির অধিকার আদায় ও নদী প্রবাহ...

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

সচেতনতাই পারে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

মফস্বল সাংবাদিকদের আর কত আত্মহনন?

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

সরকারি চাকরি ও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট...

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

একটি কলম থেমে গেল—সম্পাদক জি এম নূর ইসলামের...

আগস্ট ২৭, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting