
তালা অফিস থেকে নজরুল ইসলামঃ তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপা রানী সরকার সরকারি নির্দেশে বদলী আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশ ব্যাপী প্রশাসনিক বদলির আওতায় তার বিদায়ের মুহূর্তে তাকে বির্তকিত করার জন্য বাসভবন থেকে কাঠ পাচারের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছে সাংবাদিক পরিচয়দানকারি এমএ হাকিম। কয়েকদিন পুর্বেও এমএ হাকিম জিআর প্রকল্পে বারুইহাটি দারুল্লাজাত হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বডিং এর এতিমদের আহার্য বাবদ ১ ম্যাট্রিক টন চাউল উত্তোলন করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, উপজেলা পরিষদ চত্বরে বসার জন্য ইতিমধ্যে ৬ টি গোল বেঞ্চ বানানো হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আরো বেঞ্চ তৈরির জন্য এ গাছ গুলো স-মিলের উদ্দেশ্যে নেওয়া। এটি কে তিনি রং তামাশা দিয়ে ইউএনও কে বির্তকিত করার জন্য কাঠ পাচার চেষ্টা কাঠের ভ্যান ভিডিও করে প্রচার করেন।
এমএ হাকিম তালা প্রেসক্লাবের পরিচয় দিয়ে একজন এডিসির পিতা শিক্ষক সত্যরজ্ঞন হরির নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজি করেন তাঁর জমির বিরোধ মিমাংশা করে দিবেন যা তালার সকল সাংবাদিকরা অবগত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপারানী সরকার আরও জানান, উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানুষের বসার জন্য রেজুলেশন করে গাছ গুলো কাটা হয়। গাছ গুলো উপজেলা পরিষদের মেইন গেটের রাস্তার চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ার বিষয়ে উপজেলা পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে ৮ টি গাছ কাটা হয়। ইতিমধ্যে ৬ টি গাছের সাথে সংযুক্ত করে বসার চৌকি তৈরী করা হয়েছে আর বাকি ১৩ টি স্থানে বসার ব্যাবস্থা করার জন্য ভ্যানে করে নেওয়ার সময় ভিডিও করে তাকে বির্তকিত করার জন্য ব্যাক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য এই উদ্যোগ নেয়। মিথ্যা তথ্য প্রচারের জন্য তিনি তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
একটি সুত্র জানায়, এমএ হাকিম ইতিমধ্যে ১ টন জিআর চাউল ইউএনওর নিকট থেকে বরাদ্ধ নেন। এরপর সরকারি পুকুরের কিছু মাছ গরিবদের দেওয়া হয় তার ভাগ তাকে দিতে হবে কম্বল এর ভাগ দিতে হবে কম্বল ঘুরে ঘুরে গরিবদের মধ্যে বিতরন করা হয়। মাছের ভাগ কম্বলের ভাগ করে তাকে না দেওয়ায় তাকে বির্তকিত করার জন্য ভূয়া অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে।
এই চক্র ইউএনও শেখ মোঃ রাসেল কেও এ ভাবে বির্তকিত করেছিল। এদের রুখবে কে এদের রুখতে না পারলে তালার উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়বে।

