
সাতনদীর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে -ব্যাবসায়ী শামসুজ্জামান
মো.শামসুজ্জামান একজন সি এন্ড এফ ব্যাবসায়ী ।পাশাপাশি তিনি ভোমরা হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন১৭২২/০৩ এর তিন বছর মেয়াদী শ্রমিক নেত্ওা বটে। গত ২২ ফেব্রুয়ারী রেজি১৭২২/০৩ এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করে কাংখিত ফলাফল পাননি। তিনি সাতনদীর সাথে একান্ত সাক্ষাত করে নির্বাচনে ঘোষিত ফলাফল প্রত্যাক্ষান করে বলেছেন, প্রভাবশালী একটি মহলের চাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. আস্দাুল ইসলাম তাকে হারিয়ে দিয়েছেন। শ্রমিকদের ভোট তিনি ীঠকই পেয়েছেন কিন্তু তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। তিনি বলেছেনে অসংখ্য ভোটার এজন্য চোখের পানি ফেলেছেন। তিনি একটানা তিনদিন ধরে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদেরকে শান্তনা দিযেছেন। বলেছেন সাহস নিয়ে কর্মস্থলে এগিয়ে য্ওায়ার কথ্ওা। শামসুজ্জামানের অভিযোগ তার বিরোধীতার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মো. আসাদুল ইসলামকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়ুক্ত করেন।এই আসাদুল ইসলাম তারই প্রতিপক্ষ গোষ্টির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দিয়েছেন। তিনি অভিয়োগ করে বলেন, নজিরবিহীনভাবে ফলাফল ঘোষনা করা হয় সদস্য পদ থেকে। সবার শেষে ঘোষনা দ্ওেয়া হয় সভাপতি পদের ফলাফল । একমাত্র এজেন্ট মন্টু তার পা জড়িয়ে ধরে ভোট গননার সময় থাকতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এটাক্ওে তিনি আস্থাবভাবিক এবং প্রতিপক্ষের দ্বারা হুমকি বলে অভিহিত করেছেন। নাম না উল্লেখ করে শামছুজ্জামান বলেন, তার প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী এক ব্যাক্তি ভোট গননার সাথে হাজির হয়ে ফলাফল উল্টে দেন ।তিনি(শামসুজ্জামান)১৩২ ভোট পাইলেও ঘোষনা দেওয়া হয় ৩২ ভোট প্ওায়ার । অপরদিকে যিনি ৮ ভোট পেয়েছেন তারপ্রাপ্ত ভোট ঘোষনা দেওয়া হয় ১৭৭।এ ক্ষেত্রে ৮৭ কাটাকাটি করে ১৮৭ কার হয় এই মর্মে অভিযোগ সামসুজ্জামানের