দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
বৃহস্পতিবার | ১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি | দুপুর ১২:৩২
এখন টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ছাত্রদল নেতা বাপ্পী-শাহিনের শুভেচ্ছা
মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান : জেলা...
চাঁদার দাবীতে তালায় সংখ্যালঘু নেতাকে মারধোর
চাঁদার টাকা না দিয়ে বিপাকে নায়েব
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে নারকেলতলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের...
পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপী চিংড়ি চাষ প্রশিক্ষণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে তালতলা হাইস্কুলে আলোচনা সভা
খুলনায় পরিবেশ সুরক্ষা, মাদক ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠনে...
পাইকগাছায় গণধোলাইয়ের পর যুবক আটক
মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনিনির্বাচিত খবর

“দাই মা” আজ যেন স্মৃতিতে

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২২
নভেম্বর ২৭, ২০২২ ০ কমেন্ট 477 ভিউস

আশাশুনি ব্যুরো: “দাই মা” (ধরনী) এক সময় ছিলেন গ্রাম-অঞ্চলের গর্ভবতী মহিলাদের ভরসার অন্যতম স্থান। কোন এক সময় গ্রামের কোন বউ গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী দাই মা’(ধরনী)দের কদর বেড়ে যেত। তখন দাই মা’রা যে বাড়িতে যেতেন আদর যতœ করে মুরগী জবাই করে খাওয়ানো হত। রাত বিরাতে দাই মা’দের ডাক পড়তো। আর দাই মা’রা ছুটে বেড়াতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম পর্যন্ত। দাই মা’রা ছিলেন গ্রামে সবার কাছে সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তাদের কদর ছিল খুব বেশি। কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাম্য ধনিদের বাড়িতে দাই মা’দের তিন/চার দিন থাকতে হত। তাদের কে সবাই সম্মান করত। কাজ শেষ করে আসার সময় দাই মা’দের নতুন শাড়িসহ বিভিন্ন উপকৌঢন উপহার দিতেন। সে সময় যে মহিলার সন্তান হয়েছে সে মহিলার বাপের বাড়ি থেকেও সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের জন্য আলাদা জিনিসপত্র দেওয়া হত। মমতা ভরা হৃদয় দিয়ে তাদের ডাকা হত দাই মা’ বা ধন্নী মা। কালের বিবর্তনে দাই মা’দের সেই কদর শেষ হয়ে গেছে। এখন দাই মা’দের সে কদর আর নেই। সব শ্রেণীর মানুষে সাথে তাদের পরিচয় তাকলেও প্রয়োজন নেই। প্রসুতি মেয়েরাও তাদের কে আর কাছে টানেন না। দাই মা’রা এখন খুব কষ্টে জীবন-যাপন করছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন আর এসব কাজ করেন না। তাদের জায়গায় এখন অবস্থান নিয়েছে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। যার ফলে এখন তারা গ্রামের গর্ভবর্তী মহিলাদের ভরসার এ স্থানে চিড় ধরেছে।
অথচ এক সময় আশাশুনির প্রায় সকল গ্রামেই দাই মা’দের বিচরণ ছিলো। দাই মা’ সকল গ্রামেই বাস করতেন। গর্ভবতী মেয়েদের চিকিৎসার জন্য তাদের ডাক পড়ার সাথে সাথেই তারা সে বাড়িতে ছুটে যেতেন। সফলভাবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর পরিবারের অন্যদের মত তাদেরও আনন্দের সীমা থাকত না। তখন সেই পরিবারের গৃহকর্তা খুশি হয়ে দাই মা’দের অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র উপহার দিতেন। আর সেই প্রসবকৃত সন্তান বড় হওয়ার পর তাদের উপার্জনকৃত টাকা হতে মাঝে মাঝে সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের কিছু দেওয়া হত। তারা মায়ের মত দাই মা’দেরকে শ্রদ্ধা করত। সে সময় গর্ভবর্তী মাকে সকল চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন দাই মা’রা। অতীতে এক দাই মা’ অন্য দাই মা’দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। একে অপরকে তাদের নতুন নতুন অভিজ্ঞতার কথা বলতেন। কিন্তুুুুুুুুুুুুুুুু এখন সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সব কিছু হারিয়ে গেছে। তারা আর একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখছেন না সবাই যার যার সংসার কর্ম নিয়ে ব্যস্ত। দাই মা’দের মধ্যে অধিকাংশই অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন। কখন কখন কোন দাই মা’র অন্য দাই মা’দের সাথে দেখা হলে তারা শুধুমাত্র তদের নিজ নিজ সংসার কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন। আগের মত তাদের আর গ্রামের প্রসূতি মেয়েদের নিয়ে আলোচনা করতে হয় না। কারন গ্রাম-অঞ্চলে দাই মা’দের কদর ফুরিয়ে গেছে। এখন সবই কেবল স্মৃতি এবং অতীত। উপজেলায় বসবাসকারী একাধিক দাই মা বলেন, আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে আমরা আজ হারিয়ে গেছি। আমাদের কদর আর নেই। এক সময় আমরাই ছিলাম প্রসূতি মেয়েদের একমাত্র ভরসা। আমাদের কদর ছিল খুব বেশি। দাই মা’রা জানান, এখন আমরা বড় অভাবের মধ্যে দিন যাপন করছি। আমার হাতে এই এলাকার প্রায় শত শত সন্তান জন্ম কিন্তু সেই সন্তানরা এখন আর আমার সাথে কথা বলে না। আর তাদের বাবা মাও আমারে দেখলে অন্য দিকে তাকায়। আধুনিক যুগের ডাক্তারা আমাদের কদর কমিয়েছেন কিন্তুু আজ যারা বড় বড় ডাক্তার হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত আমাদের মত কোন না কোন দাইমা’র হাতে জন্ম নিয়েছেন। আর তারা ডাক্তার হয়ে আমাদেরকে ঘৃনা করে দূরে তাড়িয়ে দেন। আমার মতে ডাক্তার সাবদের উচিত দাই মা’দের ঘৃনা না করে, উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দাই মা’দের প্রসূতি কাজে আরো পারদর্শী করে তোলা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
খুলনায় নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ
পরবর্তী পোস্ট
মানব পাচার ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রশিক্ষন

রিলেটেড পোস্ট

ফিরে দেখা ইতিহাসঃ “ঐতিহাসিক ৬ দফা: বাঙালির মুক্তির...

জুন ১০, ২০২৬

মৎস্য বিভাগের সাথে যোগসাজসে অবৈধ ভেনামী চিংড়ির ব্যাবসা...

জুন ৯, ২০২৬

আশাশুনিতে লিডার্সের বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও...

জুন ৯, ২০২৬

বজ্রপাতে নৌকা থেকে পড়ে জেলে নিখোঁজ

জুন ৯, ২০২৬

আশাশুনিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ব্র্যাকের বৃক্ষ রোপন...

জুন ৯, ২০২৬

রুগ্ন ভেনামী চিংড়ি পোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষিরা

জুন ৯, ২০২৬

আশাশুনিতে পুলিশী অভিযানে ৪জন গ্রেফতার

জুন ৮, ২০২৬

দেশে ফিরলেন ভারতে আটক ৯১ বাংলাদেশি জেলে

জুন ৭, ২০২৬

অনলাইন সংবাদ পোর্টালের জন্য নীতিমালা করছে সরকার

জুন ৭, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting