দৈনিক সাতনদী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
শুক্রবার | ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি | সকাল ৭:৪৫
সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন অগ্রগতি ও সম্ভাবনা
পাইকগাছায় মাদক ও অপহরণ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার ৪:...
পাইকগাছায় অসাধু চিংড়ি ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও দেড় লাখ...
আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...
সাতক্ষীরা শহর কাঁচা ও পাকা-মাল ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন:...
কলারোয়ায় পানিতে ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু
কায়রোর আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাতক্ষীরার প্রজ্ঞা
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নয়নের ছোঁয়া: আশার আলো...
চার দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় ভূমিহীনদের পথসভা
তালায় বর্ণিল চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
দৈনিক সাতনদী
Banner
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
    • রাজনীতি
  • সারাদেশ
    • ঢাকা
    • খুলনা
      • যশোর
        • বেনাপোল
        • শার্শা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • সিলেট
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
  • আন্তর্জাতিক
  • সাতক্ষীরা জেলা
    • সাতক্ষীরা সদর
    • তালা
    • কলারোয়া
    • পাটকেলঘাটা
    • আশাশুনি
    • দেবহাটা
    • কালিগঞ্জ
    • শ্যামনগর
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • স্বাস্থ্য
    • করোনা ভাইরাস
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • শিক্ষা
  • সম্পাদকীয়
    • সাহিত্য
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • মন্ত্রব্য প্রতিবেদন
আশাশুনিনির্বাচিত খবর

“দাই মা” আজ যেন স্মৃতিতে

কর্তৃক kobirubel.satnadee নভেম্বর ২৭, ২০২২
নভেম্বর ২৭, ২০২২ ০ কমেন্ট 513 ভিউস

আশাশুনি ব্যুরো: “দাই মা” (ধরনী) এক সময় ছিলেন গ্রাম-অঞ্চলের গর্ভবতী মহিলাদের ভরসার অন্যতম স্থান। কোন এক সময় গ্রামের কোন বউ গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী দাই মা’(ধরনী)দের কদর বেড়ে যেত। তখন দাই মা’রা যে বাড়িতে যেতেন আদর যতœ করে মুরগী জবাই করে খাওয়ানো হত। রাত বিরাতে দাই মা’দের ডাক পড়তো। আর দাই মা’রা ছুটে বেড়াতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম পর্যন্ত। দাই মা’রা ছিলেন গ্রামে সবার কাছে সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তাদের কদর ছিল খুব বেশি। কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাম্য ধনিদের বাড়িতে দাই মা’দের তিন/চার দিন থাকতে হত। তাদের কে সবাই সম্মান করত। কাজ শেষ করে আসার সময় দাই মা’দের নতুন শাড়িসহ বিভিন্ন উপকৌঢন উপহার দিতেন। সে সময় যে মহিলার সন্তান হয়েছে সে মহিলার বাপের বাড়ি থেকেও সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের জন্য আলাদা জিনিসপত্র দেওয়া হত। মমতা ভরা হৃদয় দিয়ে তাদের ডাকা হত দাই মা’ বা ধন্নী মা। কালের বিবর্তনে দাই মা’দের সেই কদর শেষ হয়ে গেছে। এখন দাই মা’দের সে কদর আর নেই। সব শ্রেণীর মানুষে সাথে তাদের পরিচয় তাকলেও প্রয়োজন নেই। প্রসুতি মেয়েরাও তাদের কে আর কাছে টানেন না। দাই মা’রা এখন খুব কষ্টে জীবন-যাপন করছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন আর এসব কাজ করেন না। তাদের জায়গায় এখন অবস্থান নিয়েছে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। যার ফলে এখন তারা গ্রামের গর্ভবর্তী মহিলাদের ভরসার এ স্থানে চিড় ধরেছে।
অথচ এক সময় আশাশুনির প্রায় সকল গ্রামেই দাই মা’দের বিচরণ ছিলো। দাই মা’ সকল গ্রামেই বাস করতেন। গর্ভবতী মেয়েদের চিকিৎসার জন্য তাদের ডাক পড়ার সাথে সাথেই তারা সে বাড়িতে ছুটে যেতেন। সফলভাবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর পরিবারের অন্যদের মত তাদেরও আনন্দের সীমা থাকত না। তখন সেই পরিবারের গৃহকর্তা খুশি হয়ে দাই মা’দের অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র উপহার দিতেন। আর সেই প্রসবকৃত সন্তান বড় হওয়ার পর তাদের উপার্জনকৃত টাকা হতে মাঝে মাঝে সংশ্লিষ্ট দাই মা’দের কিছু দেওয়া হত। তারা মায়ের মত দাই মা’দেরকে শ্রদ্ধা করত। সে সময় গর্ভবর্তী মাকে সকল চিকিৎসাসেবা প্রদান করতেন দাই মা’রা। অতীতে এক দাই মা’ অন্য দাই মা’দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। একে অপরকে তাদের নতুন নতুন অভিজ্ঞতার কথা বলতেন। কিন্তুুুুুুুুুুুুুুুু এখন সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সব কিছু হারিয়ে গেছে। তারা আর একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখছেন না সবাই যার যার সংসার কর্ম নিয়ে ব্যস্ত। দাই মা’দের মধ্যে অধিকাংশই অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন। কখন কখন কোন দাই মা’র অন্য দাই মা’দের সাথে দেখা হলে তারা শুধুমাত্র তদের নিজ নিজ সংসার কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন। আগের মত তাদের আর গ্রামের প্রসূতি মেয়েদের নিয়ে আলোচনা করতে হয় না। কারন গ্রাম-অঞ্চলে দাই মা’দের কদর ফুরিয়ে গেছে। এখন সবই কেবল স্মৃতি এবং অতীত। উপজেলায় বসবাসকারী একাধিক দাই মা বলেন, আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে আমরা আজ হারিয়ে গেছি। আমাদের কদর আর নেই। এক সময় আমরাই ছিলাম প্রসূতি মেয়েদের একমাত্র ভরসা। আমাদের কদর ছিল খুব বেশি। দাই মা’রা জানান, এখন আমরা বড় অভাবের মধ্যে দিন যাপন করছি। আমার হাতে এই এলাকার প্রায় শত শত সন্তান জন্ম কিন্তু সেই সন্তানরা এখন আর আমার সাথে কথা বলে না। আর তাদের বাবা মাও আমারে দেখলে অন্য দিকে তাকায়। আধুনিক যুগের ডাক্তারা আমাদের কদর কমিয়েছেন কিন্তুু আজ যারা বড় বড় ডাক্তার হয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত আমাদের মত কোন না কোন দাইমা’র হাতে জন্ম নিয়েছেন। আর তারা ডাক্তার হয়ে আমাদেরকে ঘৃনা করে দূরে তাড়িয়ে দেন। আমার মতে ডাক্তার সাবদের উচিত দাই মা’দের ঘৃনা না করে, উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দাই মা’দের প্রসূতি কাজে আরো পারদর্শী করে তোলা।

০ কমেন্ট
0
FacebookTwitterPinterestEmail
পূর্ববর্তী পোস্ট
খুলনায় নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ
পরবর্তী পোস্ট
মানব পাচার ও যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে প্রশিক্ষন

রিলেটেড পোস্ট

আনুলিয়ায় চাঁদাবাজী, হত্যার হুমকি, মাছ লুট ও জবর...

অক্টোবর ১, ২০২৬

আশাশুনির বুধহাটা ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় পিটিয়ে জখম, দুজন...

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

আশাশুনির প্রতাপনগরে ১০০ মিটার বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

আশাশুনিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান আলিম মোল‍্যা...

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

কাদাকাটিতে ডা. গাউসুল হক মোড়লের দাফন সম্পন্ন

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

আশাশুনি ও প্রতাপনগরে জামায়াতের গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধার ভাড়া দেওয়া দোকানে আগুন, তিন দিনেও মামলা...

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসার গল্প 

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

আশাশুনিতে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ:...

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

মতামত দিন উত্তর বাতিল করুন

You must be logged in to post a comment.

সম্পাদকীয় কার্যালয়

একাডেমী মসজিদ সড়ক
মুনজিতপুর, সাতক্ষীরা ।
মোবাইল: ০১৭১১-৪৫০০২৫
ই-মেইল: dailysatnadee@gmail.com

ফেসবুকে নিউজ পেতে পেজ লাইক দিন।

Facebook
  • Facebook
  • Twitter
  • Youtube

© ২০২৩ দৈনিক সাতনদী । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। কারিগরি সহযোগিতাঃ Site Hosted and Developed By Deshi Hosting