শেখ আব্দুল হাকিম, শ্যামনগর থেকে: সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে মুক্তিপন দাবিতে সাত জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জিয়া, জঙ্গল মুন্না ও ভাই ভাই সুন্দরবন বাহিনীর সদস্যরা।
গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সুন্দরবনের কুকুমারী,দোবেকি,লতাবেড়ি ও মনসা নদী খালে মাছ ধরার সময় বনদস্যুরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে মালামাল সহ জেলেদের অপহরণ করে।
মুক্তিপনের ১লাখ ৫৩ হাজার টাকা দিয়ে ৯নং সোরা গ্রামের আহমাদ শেখের ছেলে আমিনুর রহমান (৩২) ও আব্দুর রউফের ছেলে রুহুল আমিন (৩০)।
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ নৌকা যোগে বাড়িতে ফিরেছে। অপহৃত ৫ জেলেরা হলেন- গাবুরার ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামে আক্কাস গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৮) একই গ্রামের কাওছার মালির ছেলে ইয়াসিন (১৮), সোহরাব খার ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫) শওকত মালির ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৭)শরিফুলের ছেলে সাইফুল (২২)।
পরিবারের পক্ষ থেকে আক্কাস গাজী,কওছার মালি ও শওকত মালি জানায় , গত ৪ দিন আগে বুড়িগোয়ালিনী বন অফিস হতে মাছ ধরার অনুমতি নিয়ে সাত জেলে সুন্দরবনে প্রবেশ করে। সুন্দরবনের কুকুমারী,ডিঙ্গিমারি,লতাবেকী ও মনসা নদী খালে মাছ ধরার সময় বুধ ও বৃহস্পতিবার রাতে অস্ত্র মুখে জিয়া, কাজল মুন্না ও ভাই ভাই সুন্দরবন বাহিনীর সদস্যরা সাত জেলেকে অপহরণ করে। পারিবারিক দেন দরবারে ৫১ হাজার টাকা মুক্তিপন দিয়ে আহাম্মদ শেখের ছেলে আমিনুর ও আব্দুর রউফের ছেলে রুহুল আমিন (৩০) নৌকাসহ এক লাখ দুই হাজার টাকা দিয়ে বাড়ি ফিরেছে।
অব্যাহত পাঁচ জেলেকে মুক্তিপনের জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করেছে জিয়া,কাজল মুন্না ও ভাই ভাই সুন্দরবন বাহিনী।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ শাহিনুর ইসলাম বলেন, জেলে অপহরনের বিষয়ে লোকমুখ শুনেছি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।