প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা নয় লক্ষাধিক টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি।
অদ্য ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, ঝাউডাঙ্গা, মাদরা, সুলতানপুর, চান্দুরিয়া, তলুইগাছা, ঘোনা বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নয় লক্ষাধিক টাকার ঔষধ, শাড়ি , কম্বল ও বিড়ি আটক করে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার-২/২ এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন ঘোষপাড়া নামক স্থান হতে ১,০৫,০০০/- টাকা মূল্যের ঔষধ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার-১৩/৩ এস এর ৫ আরবি হতে ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন কেরাগাছি, গেড়াখালি নামক স্থান হতে ৩,৩১,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ ও শাড়ি আটক করে। ঝাউডাংগা বিশেষ ক্যাম্পের আভিযানিক দল আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন ওয়ারী নামক স্থান হতে ৩৮,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় কম্বল আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার-১৩/৩ এস এর ০৮ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন দক্ষিণ কালি বাড়ি নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। সুলতানপুর বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার-১৫/৫ এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন আমবাগান নামক স্থান হতে ৭০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। কুশখালী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার ১২/২ এস হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শ্বশানঘাট নামক স্থান হতে ৭০,০০০/- টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। তলুইগাছা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার ১৩/২ এস ও ১২/৩ এস হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নটিজঙ্গল ও বাশবাগান নামক স্থান হতে ২,১০,০০০/- টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও, ঘোনা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল মেইন পিলার-৬ হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মোবারকের মোড় নামক স্থান হতে ১০,৬৫০/- টাকা মূল্যের ভারতীয় বিড়ি আটক করে।
সর্বমোট=৯,০৪,৬৫০/- (নয় লক্ষ চার হাজার ছয়শত পঞ্চাশ টাকা) মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।
চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।