আব্দুর রহমান : জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য দুই দিনব্যাপী আইপিইএমআইএস ডি-নথি (ডিজিটাল নথি) ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) অগ্রগতি রিসোর্টে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রাজা মুহম্মদ আবদুল হাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (আইএমডি) মোঃ শহিদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণে তথ্যজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সিস্টেম বিশ্লেষক প্রকৌশলী অনুজ কুমার রায়, মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুল্লাহ, সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহ আলম, সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর মোঃ কুদরত আলী এবং সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মেহতাব কায়েস। এছাড়া পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে কর্মকর্তাদের প্রাথমিক শিক্ষার সকল তথ্যের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা, পর্যবেক্ষণ এবং নথি সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে। আইপিইএমআইএস -এর মাধ্যমে বিদ্যালয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পাঠ্যপুস্তকের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা হয়। অনলাইন পর্যবেক্ষণ ও ড্যাশবোর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। অপরদিকে, ডি-নথি হলো সরকারি দপ্তরের ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম, যা ই-নথির উন্নত সংস্করণ। এর মাধ্যমে সরকারি চিঠি আদান-প্রদান, নথি সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত হচ্ছে। প্রতিটি নথির জন্য নির্দিষ্ট ডিজিটাল নম্বর ব্যবহৃত হয়, যা ১৮ ডিজিট থেকে ২২ ডিজিটে উন্নীত করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের কর্মকর্তারা আইপিইএমআইএস ও ডি-নথি ব্যবস্থাপনার ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করেছেন। এটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ করবে।” প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তারা ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যেমন লগইন, নথি আপলোড, প্রক্রিয়াকরণ এবং স্বচ্ছতা ও গতি বৃদ্ধি সম্পর্কিত বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। এই উদ্যোগ দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশাসনিক দক্ষতা, গতি ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।