নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি আদায় করা যাবে না বলে নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২০ থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী সারা দেশের মতো সাতক্ষীরায়ও এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
জেলার সাতটি উপজেলার ১ হাজার ২১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ হাজার ১২১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২৩৫টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৮১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে। এ ছাড়া আশাশুনিতে ১৬৯টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৬২ জন, কলারোয়ায় ১৩৪টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ১৫০ জন, কালীগঞ্জে ১৫৭টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৭১ জন, তালায় ২২৪টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ২১১ জন, দেবহাটায় ৬১টি বিদ্যালয়ের ৫৭৯ জন এবং শ্যামনগরে ২৩০টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, এনডিসি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তরের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০ ডিসেম্বর বাংলা, ২১ ডিসেম্বর ইংরেজি, ২২ ডিসেম্বর প্রাথমিক গণিত এবং ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবে। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৬০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ৪৫০ টাকা পাবে।
সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা এবং এককালীন ২২৫ টাকা অনুদান পাবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিনা ফিতে পরীক্ষা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।