নিজস্ব প্রতিবেদন:পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চিংড়াখালী বিদ্যানিকেতন (কালমেঘা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কল্যাণপুর কালমেঘা স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু জয়দেব মন্ডল ও যাদবপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আবুজার গিফারী।
হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি এস. এম. রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান এবং দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী রাসেল রানা, আশিকুর রহমান, জাকারিয়া, মোঃ আশরাফ হোসেনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির একপর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে আগত প্রতিনিধিদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। এ সময় অতিথিরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনপদে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণের বিকল্প নেই। শুধু চারা বিতরণ করলেই হবে না, রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের মতো পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সংগঠনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হলে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সবশেষে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।