এস কে সিরাজ: শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর ( রমজাননগর - কৈখালী ব্রীজ সংলগ্ন ) নদীর দুই পাশের চড় দখল করে মৎস্য ঘের করার হিড়িক পড়েছে । যার ফলে বড় ধরনের গাছসহ বনায়ন নষ্ট হচ্ছে । এতে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে স্থানীয়দের ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের মোঃ কওছার গাজীর পুত্র মোঃ রুহুল আমিন গাজী , ইব্রাহিম সরদারের পুত্র ইসমাইল সরদার , মোর্শেদ কারিগরের পুত্র সামছুর কারিগর, আজগার কারিগর, ওমেদ আলী গাজীর পুত্র কওছার আলী, মোবারক মহাজনের পুত্র সামছুর মহাজন, ইউনুস আলীর পুত্র সিদ্দিক , আব্দুল বারীর পুত্র রফিকুল ইসলাম , আতিয়ার গাজীর পুত্র মোঃ আশরাফ হোসেন , আশরাফ মহাজনের পুত্র আতিয়ার গাজী ,মোবারক মহাজনের পুত্র মুনছুর মহাজন, আফতাফ মহাজনের পুত্র আশরাফ মহাজনসহ অনেক ব্যক্তি নদীর চরের জায়গা দখল করে , বনায়ন নষ্ট ও গাছ কর্তন করে ভেড়ীবাঁধ দিয়ে মৎস্য ঘের করছে।
এ সমস্ত পরিবারের বসবাসের জন্য বসত ভিটা থাকলেও নদীর চর দখলের নেশায় মেতেছে। তাদের দাবী নদীর চর বন্দোবস্ত নিয়ে মৎস্য ঘের করছে । বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ,সাতক্ষীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্যামনগর ও এসিল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একাধিক বার ফোন দিয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি । নদীর চর দখল ও বনায়ন নষ্টের বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে ।
কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন , নদীর চরে সামাজিক বনায়ন সৃষ্টির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে । কিন্তু কতিপয় ব্যক্তি নদীর চর দখল করে বনায়ন ধ্বংস করছে । যা পরিবেশের ব্যাপক তি সাধন করছে।
এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম বলেন , নদীর চর বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। কেউ যদি দখল করে থাকে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।