আয়ুব আলী ও ফেরদৌস আহমেদ: শ্যামনগরের যতিন্দ্রনগর জহির নগর সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসায় নিয়োগ বানির্জ্যের অভিযোগ উঠেছে ৷ শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, ২৮ আগষ্ট শুক্রবার অফিস সহায়ক, পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ পরিক্ষা হবে৷ কিন্তু পরিক্ষার আগেই মনোনীত হয়ে গেছে প্রার্থী ৷ অত্র মাদ্রাসার সভাপতি মাওলানা মোশারাফ বিল্যাহ ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট আ.ফ.ম হাবিবুর রহমানের আততে নিয়োগের কাজ সম্পন্ন করেন ৷ দুইটি পদের মধ্যে ১ টি পদে ১৬ লাখ টাকা চুক্তি অন্যটি সভাপতির ভাই ৷ আলোচনা সাপেক্ষে সুপারিন্টেন্ডেন্ট একটি পদে অর্থ বানিজ্য করবে অন্যটি সভাপতি মাওলানা মোশারফ বিল্যাহর ছেলে মাহমুদুল হাসান মনোনীত হবে ৷
অভিভাবকরা অভিযোগ তুলেছেন, গত ৩ বছর যাবত মাদ্রাসার সুপার মাদ্রাসার কোন হিসাব দিতে পারেননি৷ অন্যদিকে চাকরির বয়স আর মাত্র ৩ মাস থাকায় শেষ মূহুর্তে মোটা অংকের অর্থ বানিজ্যসহ হিসাব থেকে রক্ষা পেতে সভাপতির সাথে আতত করে নিয়োগ কার্য্যক্রম করছেন ৷ আরও অভিযোগ রয়েছে আগে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন ।
তবে সুপারের সাথে কথা বললে, তিনি কত তারিখের পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলেন বলতে পারেননি এমনকি কোন জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেননি ৷ সেই সাথে তিনি প্রশ্নের জবাবে অস্বাভাবিক হয়ে ফোনটি কেটে দেন ৷
সভাপতি মাওলানা মোশারাফ বিল্যাহ বলেন, এখানে আমার ছেলের আবেদনেরও তো অধিকার রয়েছে ৷ আর ডিজি প্রতিনিধি সহ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে নিয়োগ সম্পন্ন হবে ৷
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নূর মোহাম্মদ তেজারত বলেন, আমি শুধুমাত্র চিঠি পেয়েছি৷ আমাকে ডিজি প্রতিনিধির সাথে যেতে হবে এটাই জানি আর কিছু জানি না৷