আমিনুর রহমান: সাতক্ষীরা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সহস্রাধিক যুবক মাদকের ফাঁদে পড়ে পরিবার, সমাজ ও দেশকে ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। "সবার আগে বাংলাদেশ " প্রধানমন্ত্রীর এই শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রথমেই সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার ( ২৭ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় তিনি এক সপ্তাহ ব্যাপী মাদক বিরোধী এক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেন ।এরপর জেলা পুলিশের তথ্য মতে ১২ জন মাদক সহ গ্রেপ্তার হন। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের একটি সুত্র বলছে মাদক নির্মূলে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ।তবে সাতক্ষীরা পৌরসভার ওয়ার্ডে -ওয়ার্ডে গিয়ে স্হানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বলছে মাদকে পুরা শহর আক্রান্ত।
অনুসন্ধানে জানা গেছে , পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসায়ী :আব্দুল আলিম (৪০) পিতা মোহাম্মদ আলি, কুখরালি মাঝেরপাড়া,আসিফ সরদার(৩৫) ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি, বাবু (৫৫) ও তাইজুল ইসলাম পিতা- রজব আলী। ইটাগাছার ,রাইমা(২৮),পিতা ইনতাজ আলী, কুখরালি আমতলা। সালাম (৩৬)পিতা মোহাম্মদ মোড়ল কুখরালি মাঠ এছাড়া শওকত শাহিনুর। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এলাকায় বারেক (৪০)পিতা আজিজ, রাশেদ (৩০) পিতা রশিদ, আকবার হোসেন((৪০) পিতা মৃত মানিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাতক্ষীরা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাঠপাড়া এলাকায় মাদকের ব্যবসা চরম আকার ধারন করেছে।
পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলার মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে এই মাদক দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।বিশিষ্টজনরা বলছেন মাদককে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে ব্যর্থ হবে দেশ।সর্বপরি মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রয়েছে নানান আলোচনা - সমালোচনা। তবে সমালোচনা থাকলেও সময় এসেছে ২৪শের গনঅভ্যুত্থানে মাদককে নির্মুল করে বৈষম্যহীন সোনার বাংলাদেশ গড়তেই হবে এমনটিই প্রত্যাশা জনগনের।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বলছেন শুধু অভিযান পরিচালনা করলে হবেনা পাশাপাশি পারিবারিক শিক্ষা দরকার।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে সচেতন জনগণ বলছে অন্য কথা পুলিশ প্রশাসন যদি মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া বন্ধ করে তাহলে ৯০ ভাগ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযান চলমান আছে সবাই কাজ করছে।