প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ৫, ২০২৬, ৯:১১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৫, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ডিবি স্কুলের সকল শিক্ষকদের বরণ: গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ফুলেল শুভেচ্ছা, আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সহকারী শিক্ষক মো: আবুল হাসান এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন শিক্ষক মিলন কুমার কবিরাজ। পরে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালে একদিনও নৈমিত্তিক ছুটি গ্রহণ না করায় বিদ্যালয়ের আটজন শিক্ষককে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন—সহকারী প্রধান শিক্ষক কঙ্কন কুমার দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, সুকুমার সরকার, মাওলানা মো: মোহসিন উদ্দিন, আবুল হাসান, আকলিমা খাতুন, রেহানা পারভীন ও জয়দেব কুমার বাছার।
এছাড়া ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলে অবদান রাখায় পাঁচজন বিজ্ঞান শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক লুৎফুন্নেছা ডালিয়া, রমেশচন্দ্র সরদার, আকলিমা খাতুন, মোস্তাফিজুর রহমান, সুকুমার সরকার ও সহকারী প্রধান শিক্ষক কঙ্কন কুমার দাস।
বক্তারা বলেন, ‘শিক্ষক’ শব্দের মধ্যেই শিষ্টাচার, ক্ষমাশীলতা ও কর্তব্যপরায়ণতার শিক্ষা রয়েছে। একজন শিক্ষককে এসব গুণ ধারণ করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে পারলে তিনি সমাজে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। এ সময় শিক্ষকদের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করে বলেন, শিক্ষকরাই জাতি গঠনের কারিগর। শিক্ষকদের মর্যাদা ও জীবনমানের উন্নয়ন ছাড়া একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, একটি বিদ্যালয় পরিচালনায় প্রধান শিক্ষকের একার পক্ষে সব দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি সব শিক্ষকের সহযোগিতা কামনা করেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক হিসেবে ভুল-ত্রুটি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতের ভুল-ত্রুটি মনে না রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সদর উপজেলার অন্যতম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুলিহার-ব্রহ্মরাজপুর সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুকুল হোসেন।
https://satnadee.com/