আবু রায়হান: শ্যামনগর উপজেলার বদ্বীপ ইউনিয়ন পদ্মপুকুরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রকাশ্যে মৎস্য ঘের ও পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের অনুমতি ও নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ড্রেজারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান ফসলি জমি ও মৎস্যঘের এবং কপতাক্ষ নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং চড়া দামে দেনদরবার করা হচ্ছে। জানা গেছে বালু উত্তলনকারী ড্রেজার মেশিনের মালিকেরা ফুট প্রতি ৫ টাকা এবং সিন্ডিকেট মহলকে ফুট প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা মোট ৮ থেকে ৯ টাকা দরে একফুট বালু বিক্রয় করা হচ্ছে ভোক্তার কাছে।
স্থানীয়দের দাবি, দিনের পাশাপাশি রাতেও চলছে বালু উত্তোলন। অতিরিক্ত বালু উত্তলনের ফলে একদিকে যেমন কৃষিজমি, ফসলি জমি এবং মৎস্য ঘেরের ক্ষতি হচ্ছে,অন্যদিকে বসতবাড়ি, রাস্তা ও আশপাশের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে।
অভিযোগ রয়েছে,প্রশাসনের নাকের ডগায় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত একটি চক্র স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে সব কিছু ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একই সঙ্গে শব্দদূষণে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। অবৈধ ভাবে বালু উত্তলনের ব্যপারে ভূমি অফিসের নায়েব (উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা) মোশাররফ হোসেন বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন ,আমি বিষয়টি ইএনও স্যার এবং এসিল্যান্ড স্যারকে জানিয়েছি এব্যপারে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
তিনি বালু সিন্ডিকেটের ব্যপারে আরো বলেন আমাদের কথা তো তেমন শুনতে চাই না আর আমাদের তো ফৌজদারি পাওয়ার নাই কেউ কমপ্লেন দিলে এসিল্যান্ড স্যারকে বিষয়টি জানাই এবং তিনি আরো বলেন স্যাররা যখন অভিযান পরিচালনা করেন।