আমিনুর রহমান: সাতক্ষীরা নবারুন স্কুলের বহিস্কৃত প্রধান শিক্ষক মালেক গাজীর বিরুদ্ধে চেয়ার দখলের অভিযোগে উঠেছে। উচ্চ আদালতের আদেশে প্রধান শিক্ষক পদে পুনঃর্বহাল হয়েছেন বলে দাবী করলেও আব্দুল মালেক গাজী তার স্বপক্ষে তিনি কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর কর্তৃক প্রেরিত পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৫ জুলাই বিপ-৪৭৫২/২৫১ নম্বও স্মারক মোতাবেক ত্রুটিপূর্ণ নিয়োগ ও যোগদানরয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত বি.এড সনদ ত্রুটিপূর্ণ, দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্নাতক পাশ করার পূর্বেই বিধি বহির্ভূতভাবে সিনিয়র স্কেল প্রাপ্তহওয়া, সেকায়েপের অর্থ বন্টনে নীতিমালার লঙ্ঘন, বিধি বিহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত শাখা খোলা, খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান এবং বিধি বহির্ভূতভাবে কিশোরী টয়লেট এবং কমফোর্টজোন বন্ধ রাখার অভিযোগগুলো জেলা প্রশাসকের পুনঃতদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৭ আগষ্ট মালেক গাজীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সাথে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন আপিল এন্ড আরবিট্রেশন এ আবেদন করা হবে না, তার জবাব আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। পাশাপাশি সাময়িক বরখাস্তকালে সরকার প্রদত্ত অর্ধেক খোরাকী ভাতা হিসেবে মূল বেতন পাবে ও বিদ্যালয়ের শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সমূহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ১৭ আগষ্ট হতে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান এবং বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এদিকে মালেক গাজী ওই বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ১৩২৬৬/২০২৬ নং রিট পিটিশন দাখিল করেন। রিট পিটিশনের শুনানীতে হাইকোর্ট কোথাও পূনঃর্বহালের আদেশ দেওয়া হয়নি।
কিন্তু বহিস্কৃত শিক্ষক মালেক গাজী হাইকোর্টে রিট পিটিশনের বরাদ দিয়ে কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই চেয়ার দখলের অপচেষ্টা করছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মালেক গাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আমি যোগদান করতে পারবো।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেলিমুল জানান, মালেক গাজী হাইকোর্টের একটি আদেশের কপি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসলে আমি তাকে সম্মান করি। এসময় তিনি আমার চেয়ারে বসেন এবং আমার কাছ থেকে সকল চাবি জোর পূর্বক কেড়ে নেন।