ওমর ফারুক মুকুল: দেবহাটা কুলিয়ায় চরবালিথা গ্রামের ইয়াছিনের ছেলে রবিউল ইসলামের সাড়ে তিন বিঘা জমিতে মৎস্য ঘের করে রুই মাছের পোনা দিয়ে ২/৩ মাস নার্সিং করে চালাই করে মাছ বিক্রয় করে আসছে। একই গ্রামের জয়াদ মোড়লের ছেলে আঃ মাজেদও একই ভেড়ী বাঁধে রবিউলের ঘরের পার্শ্বে দেড় বিঘা জমিতে ছাটি চিংড়ী মাছের পোনা ছেড়ে মৎস্য চাষ করে আসছে।গত কিছু দিন আগে আঃ মাজেদ রবিউলের ভেড়ী বাঁধ ছিদ্রপথ করে নিজের ঘেরে মাছের পোনা নেওয়ার চেষ্টা আচ করতে পেরে রবিউল তার ভেড়ী বাঁধের পার্শ্বে নেট জাল দিয়ে ঘিরে দেয়। তারপরেও আঃ মাজেদ মাছের পোনা নিজের ঘেরে ঢুকানো জন্য রাতের আধাঁরে নেট জাল কেটে মাছের পোনা ঢুকানো হয়েছে আচ করতে পেরে এলাকাবাসীদের জানান। এলাকার কিছু লোক অভিযুক্ত ঘের মালিক আঃ মাজেদকে ডেকে বলে, তোমার ঘেরে তো ছাটি চিংড়ী মাছের চাষ করো তাহলে রুই মাছের পোনা তোমার ঘেরে কোথা থেকে আসলো।
পার্শ্বের ঘের মালিক রবিউল ইসলাম তোমার বিরুদ্ধে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে তুমি তার ঘরের ভেড়ী বাঁধ ছিদ্রপথ করে কৌশলে রুই মাছের পোনা তোমার ঘেরে নিয়েছো। তাদের জবাবে ঘের মালিক আঃ মাজেদ অস্বীকার করলে তাকে বলা হয়, তোমার ঘেরে তো তুমি রুই মাছের পোনা ছেড়ে দেওনি, তাহলে এত মাছের পোনা কোথা থেকে আসলো। তোমার ঘেরে বেড় জাল টেনে দেখা হবে।
সোমবার সকাল ৮টার সময় তার সন্মতিতে বেড় জাল টেনে ৬/৭ মন রুই মাছের পোনা উদ্ধার করা হয়। এসময় কুলিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম সহ রফিকুল ইসলাম, হযরত আলী গাজী, আনারুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম ও ফুরকান আলী সহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগী ঘের মালিক রবিউল ইসলাম জানান, আমার ঘেরের চেয়ে আঃ মাজেদের ঘের অনেক উঁচু হওয়ার কারণে ভেড়ী বাঁধ ছিদ্রপথ করে দেওয়ার ফলে পানির স্রতের জন্য আমার ঘরের রুই মাছের পোনা গুলো তার ঘেরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। তার ঘেরে রুই মাছের পোনা ছাড়েনি, তাহলে ৬/৭ মন রুই মাছের পোনা তার ঘেরে কোথা থেকে আসলো।
অভিযুক্ত আঃ মাজেদ জানান, আমি ঘেরের ভেড়ী বাঁধ ছিদ্রপথ করেনি। তবে ভেড়ী বাঁধে ইদুরে চালা বা ছিদ্র করার ফলে সেই চালা/ ছিদ্র দিয়ে মাছের পোনা গুলো আমার ঘেরের মধ্যে আসতে পারে।
৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম জানান, ঘের মালিক রবিউল আমাদের কাছে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে আমিসহ কিছু লোক জনের উপস্থিতিতে বেড় জাল টানা হয়। তিনি আরো জানান ঘটনাস্হলে এসে লোক মারফত শুনিছি আঃ মাজেদ তার ঘেরে রুই মাছের পোনা দেইনি। তাহলে ৬/৭ মন রুই মাছের পোনা তার ঘেরে কোথা থেকে আসলো। মাছ গুলো ঘটনা স্হলে উপস্থিত থাকা এলাকাবাসীর মতামতের ভিত্তিতে রবিউলের ঘেরে ছেড়ে দেওয়া হয়।