
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নির্বাচনের রেজাল্ট শুনেই উপজেলার কুলিয়ায় একব্যক্তির ৫টি দোকানে তালা দিয়েছেন স্থানীয় এক বিএনপি নেতা। অভিযোগ ওঠা ওই ব্যক্তির নাম রবিউল ইসলাম। তিনি কুলিয়া ইউনিয়নের গোলাম বারীর ছেলে ও কুলিয়া ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানাগেছে, উপজেলার বহেরা মৌজায় সামছুর রহমান ও তার স্ত্রী রাশিদা বেগম গত ইংরেজি ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের দপ্তরের ১২৯৪/৮৮-৮৯ নং বন্দোবস্তী মামলা (পত্র নং ৪৯৫ যুক্ত এস.এ) এবং সখীপুর সাব রেজিঃ অফিসের ৫ জুন ১৯৮৯ ইংরেজি তারিখে ১৩০১ নং বন্দোবস্ত দলিল মূলে প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে নাম পত্তন করে ৩.৫০ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছিলেন। বর্তমান বি.আর,এস জরীপে ২১৮৩ নং ডি.পি খতিয়ান প্রস্তুত করে সরকারের অনুকলে করাদী প্রদান ও দাখিলা প্রদান করে শান্তিপূর্ন ভাবে ভোগ দখল করছিলেন তিনি। কিন্তু তার সংসারে অভাব অনটন ও ঋণ পরিশোদের জন্য নগদ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় ৩.৫০ শতক সম্পত্তি স্থানীয় আব্দুস সামাদ এর পুত্র আমিরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও কন্যা ডালিয়া পারভীনের নিকট এক লক্ষ টাকায় বিক্রি করেন।
এদিকে ওই জমি ক্রয় পরবর্তী সেখানে ৫টি দোকানঘর ভাড়া পরিচালনা করে আসছেন ক্রয়কৃত মালিকরা। কিন্তু গত ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের দিন রাতে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম সেখানে জোরপূর্বক তালা লাগিয়ে দেয়। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দদের জানানো হলে তাদের কথা তোয়াক্কা না করে তালা বদ্ধ করে রাখা হয়েছে ওই দোকানঘর। এদিকে ওই ঘটনারপর ভূক্তভোগীরা দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা বিএনপি নেতার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও দিনের পর দিন তালবাহানা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা। বর্তমানে পরিবারটি অসহায়ত্ব হয়ে ন্যায় বিচারের আশায় ঘুরছে।