
আব্দুর রাজজাক :
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনের ১০ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার বলেছেন, দেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার করলেও এখনো স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ মানুষ পায়নি। দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই। আর দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠন করতে হলে সৎ নেতৃত্ব কায়েম করা জরুরি।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ চাইলে দুর্নীতিবাজদের বয়কট করতে হবে। এজন্য আসন্ন সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ও ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল মারার আহ্বান জানান তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যার যার ধর্ম সে পালন করবে—কারো ধর্ম পালনে কোনো হস্তক্ষেপ করা হবে না। আমি জেলা আমির থাকাকালীন ৫ তারিখের পর নেতাকর্মীদের মন্দির পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম, যেন কেউ হামলা করতে না পারে। আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং সবসময় থাকবো।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) আশাশুনি সদর, বড়দল ও কাদাকাটি ইউনিয়নে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে তিনি আশাশুনি সদর ইউনিয়নের কোদন্ডা উত্তরপাড়া হরিমন্দিরে যজ্ঞানুষ্ঠানে ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিকেল ৩টায় তেঁতুলিয়া বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। বিকেল ৫টায় বড়দল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন এবং ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা যোগদান করায় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বড়দল বাজারে মিছিল ও পথসভায় এবং সন্ধ্যা ৭টায় বুড়িয়া মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় তার সফরসঙ্গী ও বক্তারা ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুল গফফার, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বক্কার সিদ্দিক, উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল আবসার মুর্তাজা, মাওলানা মোশারফ হোসেন, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, জেলা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি নাজমুল ইসলাম, শহর সেক্রেটারি মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও শত শত নেতাকর্মী।

