শেখ আহসান হাবিব, কালিগঞ্জ (উপজেলা)প্রতিনিধি :কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বেড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক বড় কোনো ব্যবসা কিংবা চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজের সৃজনশীলতা, শ্রম ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে হস্তশিল্পের শোপিস তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। ছোট্ট এই উদ্যোগই তাঁর কাছে এখন আত্মনির্ভরতার পথ দেখাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে নিজের হাতে তৈরি করেন নান্দনিক ও আকর্ষণীয় শোপিস যার মূল উপাদান কাঠ ও বাশ। তৈরি করা এসব পণ্য নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন জিয়াউর রহমান। প্রতিটি পণ্যের পেছনে রয়েছে তাঁর সময়, শ্রম, মেধা ও সৃজনশীলতার ছাপ। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় হাতে তৈরি এসব হস্তশিল্পের শোপিস বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁকে। পথচারী ও স্থানীয় মানুষের কাছে তাঁর তৈরি পণ্যগুলো বেশ আগ্রহের সৃষ্টি করে।
জিয়াউর রহমানের এই উদ্যোগ শুধু জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, বরং স্বাবলম্বী হওয়ার এক অনুপ্রেরণা দায়ক গল্প। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একজন মানুষ আত্ম কর্ম সংস্থানের পথ তৈরি করতে পারেন, তাঁর কর্মকাণ্ড যেন তারই উদাহরণ। স্থানীয়রা জানান, জিয়াউর রহমানের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে উৎসাহ ও সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন তাঁর মতো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়েও হস্তশিল্পের প্রসার ঘটবে। জিয়াউর রহমানের প্রত্যাশা, তাঁর তৈরি হস্তশিল্পের পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে। সরকারি ও বেসরকারি সুযোগ, সহযোগিতা পেলে এই ছোট উদ্যোগকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চান তিন
শেখ আহসান হাবিব কালিগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি : কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত বেড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক বড় কোনো ব্যবসা কিংবা চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজের সৃজনশীলতা, শ্রম ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে হস্তশিল্পের শোপিস তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। ছোট্ট এই উদ্যোগই তাঁর কাছে এখন আত্মনির্ভরতার পথ দেখাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে নিজের হাতে তৈরি করেন নান্দনিক ও আকর্ষণীয় শোপিস যার মূল উপাদান কাঠ ও বাশ। তৈরি করা এসব পণ্য নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন জিয়াউর রহমান। প্রতিটি পণ্যের পেছনে রয়েছে তাঁর সময়, শ্রম, মেধা ও সৃজনশীলতার ছাপ। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে কালিগঞ্জ প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় হাতে তৈরি এসব হস্তশিল্পের শোপিস বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁকে। পথচারী ও স্থানীয় মানুষের কাছে তাঁর তৈরি পণ্যগুলো বেশ আগ্রহের সৃষ্টি করে।
জিয়াউর রহমানের এই উদ্যোগ শুধু জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, বরং স্বাবলম্বী হওয়ার এক অনুপ্রেরণা দায়ক গল্প। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে একজন মানুষ আত্ম কর্ম সংস্থানের পথ তৈরি করতে পারেন, তাঁর কর্মকাণ্ড যেন তারই উদাহরণ। স্থানীয়রা জানান, জিয়াউর রহমানের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে উৎসাহ ও সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন তাঁর মতো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়েও হস্তশিল্পের প্রসার ঘটবে। জিয়াউর রহমানের প্রত্যাশা, তাঁর তৈরি হস্তশিল্পের পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে। সরকারি ও বেসরকারি সুযোগ, সহযোগিতা পেলে এই ছোট উদ্যোগকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চান তিনি।