কামরুল হাসান: কলারোয়ায় পুরাতন ট্রাক ক্রয়ের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হস্তান্তর না করা এবং পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে কলারোয়া প্রেসক্লাবে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. সোহাগ হোসেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও পাওনা টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন তিনি।সোহাগ হোসেন কলারোয়া উপজেলার শাহাপুর গ্রামের মোঃ খোরশেদ আলমের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি হেলাতলা গ্রামের আমিনুর রহমানের কাছ থেকে নগদ সাড়ে সাত লাখ টাকায় একটি পুরাতন ট্রাক (যশোর ট-১১-৫১-১০) ক্রয় করেন। কিন্তু টাকা পরিশোধ করার পরও বিবাদী আমিনুর রহমান গাড়ির কাগজপত্র হস্তান্তর করেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।সোহাগ হোসেনের ভাষ্যমতে, কাগজপত্র বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সাত মাস পর আমিনুর রহমান তাকে সাড়ে সাত লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন এবং কাগজপত্র হস্তান্তরের জন্য আরও ১২ দিন সময় নেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি।এরপর স্থানীয় সাফি মেম্বারের ছেলে সাগরকে বিষয়টি জানানো হলে সাগর আবিরের মাধ্যমে আমিনুরের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা আদায় করে দেন বলে জানান সোহাগ। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, দ্বিতীয় বিবাদী মোঃ জাফর চেকটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কথা বলে সোহাগের কাছ থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকার চেকটি ফেরত নেন এবং অবশিষ্ট সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তিন মাসের মধ্যে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।সোহাগ হোসেনের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। নির্বাচনের অজুহাত দেখিয়ে বারবার সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং পরবর্তীতে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয় বলে অভিযোগ তার। তিনি আরও জানান, পুনরায় আমিনুর রহমানের কাছে টাকা চাইলে তিনি জাফরের কাছে টাকা দিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।সংবাদ সম্মেলনে সোহাগ হোসেন তার পাওনা টাকা ফেরত পেতে স্থানীয় প্রশাসনসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।