
নব কুমার দে : সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মানিকনগর গ্রামের আব্দুল লতিফ(৫০) জয়নগর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন এর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে আব্দুল লতিফ লিখেছেন নিন্ম তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি নিয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন ৯২২/২০২৫ ( কলাঃ) পিটিশন ৮৪৭/২০২৫ ( কলাঃ)।দরখাস্তকারী আব্দুল লতিফ পিটিশন ৯২২/২০২৫ (কলাঃ) মামলায় ১ম পক্ষ ও পিটিশন ৮৪৭/২০২৫ (কলাঃ) মামলায় ২য় পক্ষ হইতেছে। অত্র মামলায় তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার পূর্বে দরখাস্তকারীর নিকট ১০০০০০(এক লক্ষ) টাকা ঘুষ চান রিপোর্ট প্রদান করিবে বলিয়া। দরখাস্তকারী বলেন, আমার রেকডীয় সম্পত্তি ১৯শতকের মধ্যে ১২ শতক জমির উপর ১তলা বিল্ডিং, গোয়ালঘর, রান্নাঘর, বিচুলিগাদা, বাথরুম, কাঠ ঘর, গোলাঘর, টিউবওয়েল এবং ৭ শতক সম্পত্তির উপর পূর্ব পুরুষ থেকে পারিবারিক কবর স্থান। উক্ত সম্পত্তির মধ্যে দরখাস্ত কারীর এবং তার ভ্রাতাদের নামে জমি ৯.৫ রেকর্ড হইয়া বকি ৯.৫ শতক জমি জামিলা খাতুনের নামে রেকর্ড হইয়াছে এর পরিপেক্ষিতে দরখাস্তকারীর পক্ষ বিজ্ঞ সিভিল জর্জ কলারোয়া আদালত সাতক্ষীরা দেং- ২১/ ২০২৫ নং স্বত্ব ঘোষণা মামলা করিয়াছে। যাহা বিচারাধীন রইয়াছে। আমি কেন ১০০০০০( এক লক্ষ) টাকা ঘুষ হিসাবে প্রদান করিব। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন যে, টাকা না দিলে আপনার পক্ষে রিপোর্ট দিব না। পরবর্তীতে দেখা যায় দরখাস্তকারীর বিপক্ষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোটা অর্থের বিনিময়ে মোঃ মোশাররফ হোসেন উক্ত রিপোর্ট প্রদান করিয়াছে।
এই ইউনিয়ন ভূমি সরকারী কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
তপশীল:
জেলা- সাতক্ষীরা, উপজেলা- কলারোয়া, মৌজা -খোদ্দ বাটরা, জে,এল, নং -১১৩, এস,এ,-৯৮৯, যার বি,আর,এস -৬১৫ নং খতিয়ানে সাবেক ১৩৩৭ দাগ, যাহার হাল ২৪২ দাগে ১৯ শতক জমি।

