শেখ আহসান হাবিব : কালিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দকাটি খেয়াঘাটের বাৎসরিক ইজারার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও সেই তুলনায় আয় না থাকায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন ঘাট পরিচালনাকারী মাঝি পরিবার। ইজারার বিপরীতে প্রতিদিনের আয় খুবই সীমিত হওয়ায় সংসার চালানো এবং ইজারার অর্থ পরিশোধ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, চলতি অর্থবছরে গোবিন্দকাটি খেয়াঘাটটি ৬৯ হাজার টাকায় ইজারা নেওয়া হয়েছে। তবে যাত্রী ও পারাপারের সংখ্যা কম থাকায় প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মতো আয় হচ্ছে। এ আয় থেকে মাঝিদের পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণ, নৌকার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
ঘাটসংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিদিন যে পরিমাণ আয় হয় তা দিয়ে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করাই কঠিন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে ইজারার অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে অনেক সময় ঋণের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। তাদের দাবি, খেয়াঘাটের প্রকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবেচনা করে ইজারার মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। অন্যথায় ভবিষ্যতে এমন ঘাট পরিচালনায় কেউ আগ্রহ দেখাবে না ।