প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১০:২৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনির লাঙ্গলদাড়িয়ায় এক দাগে জমি কিনে ভিন্নদাগে জবর দখলের অভিযোগ
![]()
জি এম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার লাঙ্গলদাড়িয়া মৌজায় এক দাগে জমি কিনে অন্য দাগে জবর দখল ও হুমকী ধামকীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাধারআটি গ্রামের আলা উদ্দীন গাজী জানান, লাঙ্গলদাড়িয়া মৌজায় এসএ ৫৬ নং খতিয়ানে ১০৪ দাগে ৮১ শতক জমির মালিক রাধারাটি গ্রামের গোলাপদী গাজী, পোনা গাজী, মংলা গাজী ও খোদা বক্স গাজী। গোলাপদি গাজীর মৃত্যুর পর পুত্র মোজাক গাজী এবং তার মৃত্যুর পর আমি (আলাউদ্দীন গাজী) ও কন্যা রিজিয়া খাতুনের নামে প্রিন্ট পর্চা/রেকর্ড হয়। যার খতিয়ান নং ৬৪৯, দাগ ৩৭০, জমির পরিমান ৩৭ শতক। অপরদিকে পোনা গাজীর অংশ থেকে ৯ শতক জমি ক্রয় করেন দেলবার রহমান মল্লিক দিং।
তাদের নামে প্রিন্ট পর্চা/রেকর্ড হয়েছে। যার খতিয়ান নং ৭৯০, দাগ নং ৩৬৯, জমির পরিমান ৯ শতক।
কিন্তু দেলবার রহমান মল্লিক দিং তাদের রেকর্ডীয় ৩৬৯ দাগের জমিতে ভোগ দখল না করে আমাদের (আলা উদ্দীন দিং) ৩৭০ দাগের জমিতে জবর দখল নিয়ে ঘরবাড়ি নির্মান করে বসবাস করছে। এব্যাপারে রেকর্ডের মন্তব্য কলামে "জোর দং --- ১৩৯৭ সাল হতে" লিপিবদ্ধ আছে। তারা (আলাউদ্দীন গাজী দিং) প্রতিকারে বারবার চেষ্টা করলেও অন্যায় প্রভাব ও বাহুবলের কাছে নতিশিকারে বাধ্য হয়েছে। তারপরও দেলবার মল্লিকের ছেলে ইমান উদ্দীন বাদী হয়ে বিজ্ঞ আশাশুনি সহকারী জজ আদালত সাতক্ষীরায় দেং ২৩০/২২ নং মামলা করেন। মামলাটি চলমান থাকলেও বাদী পক্ষ জবর দখল, গাছগাছালি কাটা, নতুন করে নির্মান কাজ করার পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি। অপরদিকে ইমান উদ্দীন গাজীর ছেলে ইয়াছিন করিম বাদী হয়ে অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সাতক্ষীরায় ১৪৫ ধারায় পি-১২৩৮/২২ নং মামলা করে।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ স্ব স্ব দখল বজায় রাখবেন। ওসি ব্যবস্থা নিবেন মর্মে রায় প্রদান করেন।
তারপরও প্রতিপক্ষ নানা হুমকী ধামকী, জমির পাশে এমন ভাবে ঘেরাবেড়া দিচ্ছে যে স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে আলা উদ্দীন গাজী দাবী করেন। এব্যাপারে মাননীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ প্রশাসন ও আইন আদালতের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
https://satnadee.com/